১৯/০২/২০২৬, ১৭:৩৮ অপরাহ্ণ
32 C
Dhaka
১৯/০২/২০২৬, ১৭:৩৮ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

এপস্টেইনকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল

জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল নিযুক্ত একদল স্বাধীন বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, জেফরি এপস্টেইন-সংক্রান্ত লাখ লাখ নথি একটি ‘বৈশ্বিক অপরাধী চক্রের’ ইঙ্গিত দেয়। তাদের মতে, এসব কর্মকাণ্ড আইনি বিচারে মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।

বিজ্ঞাপন

বিশেষজ্ঞরা জানান, এই অপরাধগুলো বর্ণবাদ, দুর্নীতি এবং নারীবিদ্বেষী মনোভাব থেকে সংঘটিত হয়েছে। এখানে নারী ও শিশুদের নিছক পণ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এই নৃশংসতার ব্যাপকতা ও পদ্ধতিগত চরিত্র এতটা ভয়াবহ, তা মানবতাবিরোধী অপরাধের আইনি সীমা স্পর্শ করে।
বিশেষজ্ঞরা এ ঘটনার নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এখন পর্যন্ত প্রকাশিত নথিতে এক হাজার ২০০-এর বেশি ভুক্তভোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তথ্য প্রকাশে অনীহা এবং নথির কিছু অংশ অস্পষ্ট রাখায় ভুক্তভোগীরা নতুন করে মানসিক ট্রমার শিকার হচ্ছেন বলে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এসব নথি রাজনীতি, অর্থ ও শিক্ষা খাতের অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে এপস্টেইনের নিবিড় সম্পর্কের বিষয়টিও সামনে এনেছে।

নতুন আরও তথ্য
এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার তথ্য ফাঁস হওয়ার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের মানবাধিকার কর্মকর্তা হিন্দ আল-ওওয়াইসের নাম ইন্টারনেট থেকে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওওয়াইস আমিরাতের ‘পার্মানেন্ট কমিটি ফর হিউম্যান রাইটস’ (পিসিএইচআর)-এর পরিচালক ছিলেন। সম্প্রতি সংস্থাটির ওয়েবসাইট, এক্স, ইনস্টাগ্রাম ও লিঙ্কডইন প্রোফাইল থেকে তাঁর নাম ও সংশ্লিষ্ট সব পোস্ট মুছে ফেলা হয়েছে।

নতুন নথিতে সৌদি-ইয়েমেন যুদ্ধে পাকিস্তানের ‘ব্ল্যাক স্টর্কস’ নামক বিশেষ কমান্ডো বাহিনী মোতায়েনের এক ‘গোপন চুক্তির’ তথ্য পাওয়া গেছে। ২০১৫ সালের ৭ এপ্রিলের একটি ইমেইলে দেখা যায়, নরওয়ের কূটনীতিক টেরজে রড-লারসেন এই গোপনীয় তথ্যটি এপস্টেইনকে পাঠিয়েছিলেন।

জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা নাসরা হাসানের লেখা ইমেইল অনুযায়ী, হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়তে সৌদি আরব পাকিস্তানের কাছে স্থলসেনা ও যুদ্ধজাহাজ চেয়েছিল। পাকিস্তান প্রকাশ্যে যুদ্ধে অংশ না নিলেও গোপনে সহযোগিতা করতে চেয়েছিল। খবর সিএনএনের।

পড়ুন:সচিবালয়ে দ্বিতীয় দিনে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেখুন:সচিবালয়ে কর্মচারীদের এক ঘণ্টার কর্মবিরতি, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা |

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন