২১/০২/২০২৬, ১৮:১৬ অপরাহ্ণ
31.5 C
Dhaka
২১/০২/২০২৬, ১৮:১৬ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আল্টিমেটাম দিয়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আল্টিমেটাম দিয়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। সে অনুযায়ী, স্মারকলিপি দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিনিধি সমাবেশ ও সাংগঠনিক কর্মসূচি পালন করবে তারা। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনের সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান ও মূখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ১৫ মার্চের মধ্যে দাবি না মানলে ২৮ মার্চ নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন তারা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালে দেওয়া ৮ম পে-স্কেলে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের বৈষম্যের বেড়াজালে আবদ্ধ করার পর থেকেই ১ম পর্যায়ে পে-স্কেলের বৈষম্য নিরসনের জন্য আবেদন নিবেদনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেও তৎকালীন সরকারের কাছ কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। এমনকি বিগত কোনও সরকার উক্ত সংগঠনের সাথে আলোচনাও করেননি। অথচ বিগত বিএনপির সরকার ১৯৯১ ও ২০০৫ সালে সুন্দর দুইটি পে-স্কেল দিয়েছিলেন।

বিগত ১১ বছর কর্মচারীরা পে-স্কেল থেকে বঞ্চিত উল্লেখ করে এতে বলা হয়েছে, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির দরুণ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় ৬ সদস্য পরিবারের ব্যয়ভার বহন করা নিয়ে কর্মচারীরা দিশেহারা। পরবর্তীতে ২০১৯ সাল থেকে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আবেদন নিবেদনসহ বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে তৎকালীন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছি।

এর ধারাবহিকতায় অর্ন্তবর্তী সরকারের কাছেও আবেদন নিবেদনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হয়। তৎপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালে ৮ম পে-কমিশন গঠন করে, যার রিপোর্ট ইতোমধ্যে সরকারের কাছে প্রদান করেছেন। কিন্তু অর্ন্তবর্তী সরকার পে-স্কেল দ্রেয়ার আশ্বাস দিয়েও তা বাস্তবান করেননি।

তারা বলেন, বর্তমান সদাসয় সরকারের কাছে প্রত্যাশা দীর্ঘ ১১ বছর ধরে পে-স্কেল না হওয়া ও দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির দরুণ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয় বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবেন। বর্ণিত অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে কর্মচারীদের বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল প্রাপ্তির বিষয় অবহিতকরণের লক্ষ্যে সংগঠনের ২০ ফেব্রুয়ারির

সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক নিম্নোক্ত কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে:
১. ২২ ফেব্রুয়ারী থেকে ৫ মার্চের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ ও তাঁদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান (জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সম্মানিত নেতৃবৃন্দ উক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবেন)।

২. একই সময়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের সাথে সাক্ষাত করে তাঁদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করবেন।

৩. পবিত্র মাহে রমজানে মাসব্যাপী বিভাগীয় শহরগুলোয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে প্রতিনিধি সমাবেশ ও সাংগঠনিক কর্মসূচি চলমান থাকবে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দৃশ্যমান কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন পরবর্তী ২৮ মার্চ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী হচ্ছেন কে?

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন