২১ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৈারসভার বিভিন্ন পয়েন্টে খেটে খাওয়া মানুষের ওপর চলা দীর্ঘদিনের চাঁদাবাজির রাজত্ব গুঁড়িয়ে দিয়েছেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব।
কোনো ধরনের প্রটোকল বা আগাম ঘোষণা ছাড়াই সাধারণ মানুষের বেশে বিভিন্ন পয়েন্টে সশরীরে উপস্থিত হয়ে তিনি অবৈধ চাঁদা আদায় বন্ধের নির্দেশ দেন। এতে সাধারণ ভ্যান-রিকশাচালক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
শনিবার সকালে মাওলানা আবু তালিব কালীগঞ্জ রেলগেট,নলডাঙ্গা রোড এবং শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আকস্মিক অভিযান চালান। এসময় দেখা যায়, তথাকথিত ইজারা বা সমিতির নামে একশ্রেণির লোক জোরপূর্বক ভ্যান ও রিকশা থেকে টাকা আদায় করছে।সাধারণত জনপ্রতিনিধিরা বড় বহর নিয়ে চললেও মাওলানা আবু তালিব কোনো প্রটোকল ছাড়াই সাধারণ মানুষের মতো স্পটগুলোতে উপস্থিত হন। তিনি সরাসরি চাঁদা আদায়কারীদের সামনে গিয়ে আদায়ের বৈধ কাগজপত্র বা সরকারি রসিদ দেখতে চান। যখনই তারা কোনো বৈধ নথি দেখাতে ব্যর্থ হয়, তখনই তিনি তাৎক্ষণিকভাবে টাকা উত্তোলন বন্ধ করে দেন।
জনমনে স্বস্তি কালীগঞ্জ রেলগেট এলাকায় এক ভ্যানচালক আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “সংসদ সদস্য নিজে এসে আমাদের পাশে দাঁড়াবেন, এটা কল্পনাও করিনি। প্রতিদিন আয়ের একটা বড় অংশ কোনো কারণ ছাড়াই কেড়ে নেওয়া হতো। আজ তিনি এসে নিজ হাতে তা বন্ধ করে দেওয়ায় আমরা শান্তিতে বাড়ি ফিরতে পারছি।সংসদ সদস্যের কঠোর হুশিয়ারি: উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে মাওলানা আবু তালিব বলেন, “কালীগঞ্জ মাটিতে শ্রমিকের ঘাম ঝরানো টাকায় আর কাউকে পকেট ভারী করতে দেওয়া হবে না। রসিদ ছাড়া এক টাকাও আদায় করা যাবে না। আমি নিজে প্রতিটি পয়েন্ট তদারকি করছি। যদি কেউ গোপনে বা জোর করে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করে, তবে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। গরিবের মুখে হাসি ফুটানোই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য।
পড়ুন- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ দিবস ও আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস পালিত
দেখুন- ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে রুমিন ফারহানা ও বিরোধী দলের হট্টগোল


