২২/০২/২০২৬, ২০:৩৮ অপরাহ্ণ
27.3 C
Dhaka
২২/০২/২০২৬, ২০:৩৮ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

রমজানে সচেতন না হলে বাড়তে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি

রমজান মাস এলেই পুরান ঢাকার চকবাজার পরিণত হয় দেশের সবচেয়ে বড় ইফতার বাজারে। শাহী মসজিদের সামনে রাস্তার দুই পাশে বসে অসংখ্য খাবারের দোকান। সুতির কাবাব, জিলাপি, পরোটা, ছোলা ভুনা, মাটন রোস্ট, পিয়াজু, ডিম চপ, সবজি পাকোড়া, দই বড়া, এমনকি পিজ্জা ও বার্গার— রঙিন ও সুগন্ধি এসব খাবার সহজেই রোজাদারদের আকৃষ্ট করে। তবে পুষ্টিবিদরা বলছেন, এসব খাবারের বেশিরভাগই উচ্চমাত্রার চর্বিযুক্ত এবং স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। খবর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বিজ্ঞাপন

বিশেষজ্ঞদের মতে, রমজানে খাদ্যাভ্যাসে সচেতন না হলে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও স্থূলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষ করে অতিরিক্ত শর্করা ও ডিপ-ফ্রাই খাবার শরীরে অস্বাস্থ্যকর চর্বি জমার অন্যতম কারণ।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ট্রান্স ফ্যাট হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। স্যাচুরেটেড ফ্যাট লাল মাংস, দুগ্ধজাত খাবার এবং নারকেল তেল ও পাম অয়েলের মতো কিছু উদ্ভিজ্জ তেলে পাওয়া যায়। অন্যদিকে ট্রান্স ফ্যাট বিস্কুট, কেক, পেস্ট্রি, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস, মার্জারিন এবং রাস্তার ভাজা খাবারে বেশি থাকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী, মোট শক্তি গ্রহণের ৩০ শতাংশের কম অর্থাৎ দৈনিক প্রায় ৬৫–৮০ গ্রাম ফ্যাট গ্রহণ করা উচিত। এর মধ্যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট ২০–২৫ গ্রামের মধ্যে এবং ট্রান্স ফ্যাট ২ গ্রামের নিচে রাখা প্রয়োজন।

পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, রমজানে ভাজা পিয়াজু, বেগুনি, জিলাপি ও শিঙ্গাড়ার মতো খাবার কম খাওয়া উচিত। পাশাপাশি বিস্কুট, পেস্ট্রি ও ডোনাটের মতো প্রক্রিয়াজাত বেকারি খাবার সীমিত করতে হবে এবং বনস্পতি ঘি ব্যবহার এড়িয়ে চলতে হবে।

এছাড়া মাছ ও চর্বিহীন মাংস খাওয়া, ডিপ-ফ্রাইয়ের বদলে গ্রিল বা বেক করে রান্না করা এবং তরকারিতে তেলের ব্যবহার কমানোর মাধ্যমে সুস্থ থাকা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

পড়ুন:জুনিয়র অফিসার পদে নিয়োগ দিচ্ছে স্কয়ার গ্রুপ

দেখুন:বানিয়ে ফেললো ইরান, শুধু ঘোষণার অপেক্ষা!

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন