জাহানারা আলমের করা যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবার নিষিদ্ধ হলেন নারী ক্রিকেট দলের সাবেক ম্যানেজার এবং নির্বাচক মঞ্জুরুল ইসলাম। দেশের ক্রিকেটের কোনো দায়িত্বে তাকে দেখা যাবে না ভবিষ্যতে। এমনটি নিশ্চিত করেছেন বিসিবির একজন পরিচালক।
এর আগে নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের তোলা যৌন হয়রানির অভিযোগের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তবে বিসিবি’র এই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট ছিলেন না জাহানারা।
জাহানারা আলমের আইনজীবীরা অভিযোগ করে বলেছিলেন, অভিযোগকারী হিসেবে তদন্তের ফলাফল জন্য পূর্ণ অধিকার তার আছে। কিন্তু বিসিবি তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি। এমনকি প্রতিবেদনের কোনো কপিও তাকে দেওয়া হয়নি।
বিসিবির প্রদত্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী জাহানারার করা চারটি অভিযোগের মধ্যে দুটি প্রমাণিত হয়। কিন্তু কোন দুটি প্রমাণিত হয়েছে এবং অভিযোগ প্রমাণের ক্ষেত্রে কী কী তথ্যগত ভিত্তি কাজ করছে, বিসিবি তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেনি।
বিসিবির বলেছে, অনুসন্ধান কমিটি জাহানারার অভিযোগের ভিত্তিতে হয়নি। বরং বিসিবির নিজস্ব উদ্যোগে গঠন করা হয়েছে। জাহানারা পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে এটার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। জাহানারা আলম স্পষ্ট করেছেন যে, কমিটি মূলত তার করা যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক অভিযোগ তদন্তের জন্যই গঠন করা হয়েছিল।
গত ৪ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, জাহানারার তোলা অভিযোগগুলোর মধ্যে কয়েকটির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। বিশেষ করে নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অসদাচরণ ও হয়রানির প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি।
জাহানারা আলম মোট চারটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেছিলেন। তদন্ত কমিটি চারটি অভিযোগের মধ্যে দুটি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। দুটি অভিযোগই সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
তদন্ত কমিটি জানিয়েছে মঞ্জুরুল ইসলামের কিছু কর্মকাণ্ড সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ এবং ‘হয়রানি’র পর্যায়ে পড়ে।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

