২৩/০২/২০২৬, ১৯:০৭ অপরাহ্ণ
28.3 C
Dhaka
২৩/০২/২০২৬, ১৯:০৭ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

গাইবান্ধা-জয়পুরহাট-কুড়িগ্রাম অঞ্চলে সংরক্ষিত মহিলা আসনে আলোচনায় শায়লা ইসলাম

গাইবান্ধার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে একটি নাম শায়লা ইসলাম। গাইবান্ধা জেলা জিয়া পরিষদের সহ-সভাপতি, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি. সদস্য জি-নাইন, বিশিষ্ট ছাত্রনেতা মরহুম খন্দকার আহাদের সহধর্মিণী শায়লা ইসলামকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চেয়ে গাইবান্ধা, জয়পুরহাট ও কুড়িগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে প্রত্যাশার সুর জোরালো হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন


মরহুম খন্দকার আহাদ ছিলেন একজন সুশিক্ষিত, বিনয়ী, নম্র, ভদ্র ও পরিশ্রমী রাজনৈতিক নেতা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি নেতৃত্বগুণ, সততা ও উন্নয়নমুখী চিন্তার জন্য পরিচিত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করে তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং এলাকার উন্নয়নই ছিল তাঁর জীবনের বড় স্বপ্ন। তিনি সংসদ সদস্য হয়ে নিজের অঞ্চলকে একটি উন্নত, শিক্ষাবান্ধব ও কর্মসংস্থানমুখী জনপদে রূপান্তর করার আশা লালন করতেন। কিন্তু আকস্মিক মৃত্যু সেই স্বপ্নকে অপূর্ণই রেখে গেছে। স্বামীর মৃত্যুর পর সেই অপূর্ণ স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাঁর সহধর্মিণী শায়লা ইসলাম কাজ করে যাচ্ছেন।

এখন অনেকেই মনে করছেন, সেই স্বপ্নের ধারাবাহিকতা বহন করতে পারেন তাঁর সহধর্মিণী শায়লা ইসলাম। শায়লা ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী ও তুখোড় ছাত্রী ছিলেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং সামাজিক সম্পৃক্ততা সব মিলিয়ে তিনি একজন সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।


গাইবান্ধার সুশীল সমাজ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষের একটি অংশ মনে করেন এই অঞ্চলের নারীদের প্রতিনিধিত্ব শক্তিশালী করতে শায়লা ইসলামকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন দেওয়া সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হতে পারে। তাঁদের ভাষ্য, শায়লা ইসলাম পরিকল্পিত উন্নয়ন, নারী ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে সক্ষম হবেন।
অভিজ্ঞ মহলের মতে, গাইবান্ধা–-জয়পুরহাট ও –কুড়িগ্রাম অঞ্চলের ভৌগোলিক ও সামাজিক বাস্তবতা বোঝেন এমন একজন প্রতিনিধির প্রয়োজন। শায়লা ইসলাম সেই বাস্তবতার ভেতর থেকেই উঠে আসা একজন শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল নারী। ফলে তাঁকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচিত করা হলে এ অঞ্চলের উন্নয়ন-প্রত্যাশা নতুন গতি পেতে পারে।


রাজনীতিতে মানবিকতা, সততা ও উন্নয়ন চিন্তার সমন্বয় ঘটাতে পারলে তবেই একজন প্রতিনিধি সত্যিকার অর্থে জনগণের আস্থা অর্জন করেন। গাইবান্ধার জনমনে এখন যে প্রত্যাশার ঢেউ উঠেছে, তা কেবল একজন ব্যক্তিকে ঘিরে নয় বরং একটি অপূর্ণ স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার আকাক্ষা।


সমাজ ও রাষ্ট্রের বৃহত্তর স্বার্থে, মানবতার কল্যাণে এবং অবহেলিত অঞ্চলের উন্নয়নের লক্ষ্যে শায়লা ইসলামকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে দেখতে চায় বহু মানুষ। সময়ই বলে দেবে এই প্রত্যাশা কতটা বাস্তবে রূপ নেয়। তবে জনমনে যে আকাক্ষার সুর ধ্বনিত হচ্ছে, তা এখন আর অস্বীকার করার মতো নয়।


গাইবান্ধা ছাত্রদলের সভাপতি খন্দকার জাকারিয়া আলম জীম বলেন, গাইবান্ধা- জয়পুরহাট ও কুড়িগ্রাম এই তিনটি জেলা শিক্ষা, অবকাঠামো ও চিকিৎসাসহ অনেক কিছু পিছিয়ে রয়েছেন। জেলাগুলোর মানবতার কল্যাণে এবং অবহেলিত অঞ্চলের উন্নয়নের লক্ষ্যে শায়লা ইসলামকে সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য হিসেবে নমিশন দেওয়ার দাবি করেন।

শায়লা ইসলাম৷ বলেন, আমার স্বামী মরহুম খন্দকার আহাদ আহমেদ রাজনীতির মাঠের কাজ, দলের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত করা, বিএনপির নেতাকমীসহ সাধারন মানুষের পার্শ্বে দাঁড়ানো এবং তাদের জন্য কীভাবে কাজ করতে হয়। আমি এসব আমার স্বামীর পার্শ্বে থেকে শিখছি। দলের সমর্থনে কাজ করার সুযোগ করে দিলে, দলের নেতাকর্মীসহ পিঁছিয়ে পড়া মানুষ গুলোর জন্য কাজ করতে চাই।

পড়ুন- তাজুল ইসলামকে বাদ দিয়ে নতুন চিফ প্রসিকিউটর পদে আমিনুল ইসলাম

দেখুন- বেকারীতে ব্যবহৃত ডালডাতে মরা ইঁদুর

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন