২৫/০২/২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ
25.6 C
Dhaka
২৫/০২/২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নির্বাচন রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমালেও ঝুঁকি রয়ে গেছে

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশে স্বল্পমেয়াদি রাজনৈতিক ও নীতিগত অনিশ্চয়তা কমিয়ে এনেছে, যা সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদার করতে পারে বলে জানিয়েছে ফিচ রেটিংস। গত শনিবার প্রকাশিত আন্তর্জাতিক ক্রেটিং রেটিং সংস্থার এক প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়, দুর্বল শাসন ব্যবস্থা, ব্যাংকিং খাতের ভঙ্গুরতা ও ভঙ্গুর বহিরাগত তারল্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়নের ক্ষমতার ওপর বাংলাদেশের ঋণমানের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে।

বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদনে ফিচ বলছে, সফল গণভোটের সঙ্গে যৌথভাবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের দ্বারা প্রাপ্ত বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা সাংবিধানিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের জন্য একটি স্পষ্ট ম্যান্ডেট দেয়। ভোটে বিএনপি ২০৯টি আসন জিতেছে, যেখানে জামায়াতে ইসলামী ও তার মিত্ররা ২৯৯টি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনের মধ্যে ৭৭টি পেয়েছে। ফিচের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা সরকারের নীতিগত এজেন্ডা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। এ নির্বাচন দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ করবে, যা অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ জটিল করে তুলতে পারত।

ক্ষমতাসীনদের সতর্ক করে রেটিং সংস্থাটি বলছে, নির্বাচনে জয়লাভের পরও রাজনৈতিক ঝুঁকি এখনও রয়ে গেছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করা কঠিন প্রমাণিত হলে এবং সরকার প্রত্যাশা পূরণ না করলে দেশের রাজনৈতিক মেরূকরণের ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে এবং নির্বাচন-পূর্ব সহিংসতার কারণে নতুন করে উত্তেজনার শঙ্কা তৈরি হতে পারে। সেনাবাহিনী রাজনীতিতেও ভূমিকা পালন করতে পারে।
এতে বলা হয়, গণভোটের অনুমোদন প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিশালীকরণের পথ প্রশস্ত করতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইন ব্যবস্থায় স্থানান্তর, বিচারিক স্বাধীনতা শক্তিশালীকরণ ও প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা প্রতিষ্ঠা। তবে বাস্তবায়ন জটিল ও সময়সাপেক্ষ হতে পারে। এতে বাস্তবায়নের ঝুঁকি বেড়ে যাবে।

ফিচের পর্যবেক্ষণ– বিএনপির ইশতেহার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে শুরু হওয়া অর্থনৈতিক ও আর্থিক সংস্কার অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতির ইঙ্গিত দেয়। এজেন্ডাটি উচ্চ সামাজিক ব্যয়ের দিকেও ইঙ্গিত করে। ফিচ মনে করে, রাজস্ব সংহতকরণের ব্যবস্থাগুলো যদি সঠিকভাবে কাজ না করে, তাহলে তা জনসাধারণের অর্থনৈতিক অবস্থায় চাপ সৃষ্টি করতে পারে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য বজায় রাখা কর্তৃপক্ষের সামর্থ্যকে পরীক্ষা করবে।

পড়ুন:এপস্টেইন কেলেঙ্কারি গ্রেপ্তারের পর ছাড়া পেলেন ‘প্রিন্স অব ডার্কনেস’ খ্যাত ম্যান্ডেলসন

দেখুন:আরাভকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে: আইজিপি

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন