২৪/০২/২০২৬, ২৩:২২ অপরাহ্ণ
25.1 C
Dhaka
২৪/০২/২০২৬, ২৩:২২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

শচীনকে আউট দেয়ার ২২ বছর পর আম্পায়ারের ভুল স্বীকার

ক্রিকেটভক্তদের মনে ২০০৩-০৪ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্রিসবেন টেস্টের সেই বিতর্কিত মুহূর্তটি হয়তো এখনও তরতাজা। জেসন গিলেস্পির বলে শচীন টেন্ডুলকারকে দেওয়া স্টিভ বাকনরের সেই এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রিকেটে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। ঘটনার দীর্ঘ ২২ বছর পর অবশেষে নিজের সেই ভুল স্বীকার করে নিলেন ৭৯ বছর বয়সী সাবেক ক্যারিবীয় আম্পায়ার।

বিজ্ঞাপন

ব্রিসবেন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার পেসার জেসন গিলেস্পির একটি বাউন্সি ডেলিভারি ছেড়ে দিয়েছিলেন তিন নম্বরে নামা শচীন। বল গিয়ে আঘাত হানে তার প্যাডে। অজিদের জোরালো আবেদনে সাড়া দিয়ে আঙুল তুলে দেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের আম্পায়ার স্টিভ বাকনর। তবে টিভি রিপ্লেতে স্পষ্ট দেখা যায়, বল স্টাম্পের অনেক ওপর দিয়ে চলে যেত। বাকনরের সেই সিদ্ধান্তে শুধু শচীন নন, বিস্মিত হয়েছিলেন গোটা ক্রিকেট বিশ্বের দর্শকরা। ওই ম্যাচে শচীনের এলবিডব্লিউ ছাড়াও আরও কয়েকটি আম্পায়ারিং সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।

২২ বছর পর সেই ঘটনার দায় মাথা পেতে নিলেন সাবেক এই এলিট প্যানেল আম্পায়ার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট আম্পায়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের বরাতে তিনি জানান, শচীনকে এলবিডব্লিউ দেওয়া যে ভুল ছিল, তা তিনি পরে বুঝতে পেরেছিলেন। বাকনর বলেন, ‘এত বছর পরও মানুষ বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলে, কেন আউট দিয়েছিলাম, শচীন আদৌ আউট ছিলেন কি না। জীবনে মানুষের ভুল হতেই পারে, আর আমি আমার সেই ভুল নির্দ্বিধায় স্বীকার করছি। ঘটনাটি আমার স্মৃতি থেকে এখনও মুছে যায়নি।’

সেই আউটটি নিয়ে তখন ধারাভাষ্যকক্ষে থাকা কিংবদন্তি টনি গ্রেগ চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। সিদ্ধান্তটিকে ‘ভয়ংকর’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেছিলেন, বলের বাউন্স ও মুভমেন্ট খেয়াল করলেই বোঝা যেত এটি কোনোভাবেই সঠিক সিদ্ধান্ত নয়।

পরবর্তীতে এ বিষয়ে শচীনের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে স্বভাবসুলভ রসিকতা করে মাস্টার ব্লাস্টার বলেছিলেন, ‘আমি ব্যাট করতে নামলে আম্পায়ারকে যেন একটি বক্সিং গ্লাভস দেওয়া হয়, যাতে তিনি চট করে আঙুল তুলতে না পারেন!’

পড়ুন:বাংলাদেশে প্রথম আর্জেন্টিনার ফ্যান জার্সি উন্মোচন করলো ওয়ালটন

দেখুন:আরাভকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে: আইজিপি

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন