নরসিংদী জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাধবদী থানার আলোচিত আমেনা হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরাসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে চারজন ধর্ষণে জড়িত বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার। বাকিরা শালিসি।
তিনি শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার দিকে বাদীর মেয়েকে ফুসলিয়ে অপহরণ করে কোতোয়ালীরচর এলাকার হোসেন বাজারে চৈতি টেক্সটাইল মিলের পেছনে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। পরে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
ঘটনার ধারাবাহিকতায় ২৫ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে কোতোয়ালীরচর বড়ইতলা তিন রাস্তার মোড়ে ভুক্তভোগী ও তাঁর বাবার পথরোধ করা হয়। এ সময় বাবার কাছ থেকে জোর করে ওই তরুণীকে আবারও অপহরণ করে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কোতোয়ালীরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষাখেত থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বলছে, হত্যার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে সেটি সেখানে ফেলে রাখা হয়েছিল।
এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ নূরাকে আজ রাতে গাজীপুরের মাওনা এলাকা থেকে এবং অপর অভিযুক্ত হযরত আলীকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন: নূর মোহাম্মদ নূরা (২৮), এবাদুল্লাহ (৪০), হযরত আলী (৪০), গাফফার (৩৭), আহাম্মদ আলী মেম্বার ওরফে আহাম্মদ দেওয়ান (৬৫), মো. ইমরান দেওয়ান (৩২) ও মো. আইয়ুব (৩০)।
পুলিশ জানায়, মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং জড়িত অন্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত আছে।
পড়ুন : নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা, প্রধান আসামি নূরাসহ গ্রেপ্তার ২


