জিতলেই ইংল্যান্ডের সঙ্গে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতো নিউজিল্যান্ড। কিন্তু কলম্বোয় শেষ দিকে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৪ উইকেটে জিতে গ্রুপসেরা হয়ে সেমিতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড। তাদের রোমাঞ্চকর জয়ে এখন কপাল খুলেছে পাকিস্তানেরও। পয়েন্ট টেবিলে গ্রুপ দুইয়ে নিউজিল্যান্ড রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। তাদের পয়েন্ট ৩। কিন্তু শনিবার ইতোমধ্যে বিদায় নিশ্চিত হওয়া শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বড় জয় পেলে পাকিস্তান সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করবে। সালমান আগাদের পয়েন্ট এখন ১।
ধীরগতির উইকেটে পুরো ম্যাচজুড়ে উল্লেখযোগ্য সহায়তা পেয়েছেন স্পিনাররা। শেষ ১৮ বলে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৪৩ রান। তখন ম্যাচটা কিউইদের দিকে ঝুঁকে ছিল। কঠিন সেই পরিস্থিতিতে ১৮তম ওভারে রেহান আহমেদ মারেন বিশাল এক ছক্কা। জ্যাকসও হাঁকান একটি ছক্কা। অফ স্পিনার গ্লেন ফিলিপসের শেষ ৩ বলে একটি ছক্কার সঙ্গে দুটি চারও মারেন তিনি। এই ওভরে তারা যোগ করে ২২ রান। তাতে বদলে যায় দৃশ্যপট।
১৯তম ওভারে প্রথম বলে একটি বাউন্ডারি মারেন রেহান। শেষ বলে মিচেল স্যান্টনারকে উড়িয়ে আরেকটি ছক্কাও মারেন তিনি। তাতে শেষ ওভারে সমীকরণ দাঁড়ায় ৫ রান। তখন তিন বল হাতে রেখেই টানা পঞ্চম জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। বাউন্ডারি মেরে জয় নিশ্চিত করেন উইল জ্যাকস। অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ম্যাচসেরাও তিনি।
জ্যাকস ১৮ বলে ৩২* রানে অপরাজিত থাকেন। তার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ১টি ছক্কা। রেহান আহমেদ ১ চার ও ২ ছক্কায় ৭ বলে খেলেছেন ১৯* রানের বিধ্বংসী একটি ইনিংস। দুজন মিলে মাত্র ১৬ বলে গড়েন ৪৪ রানের জুটি।
শুরুতে ইংলিশ স্পিনারদের দাপট নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে ১৫৯ রানে আটকে রাখে।
মূলত ইংল্যান্ডের স্পিনারদের কারণে রান পায়নি নিউজিল্যান্ড। এক পর্যায়ে ১৪ ওভারে তাদের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ১২৩। শেষ ৬ ওভারে তারা করতে পারে মাত্র ৩৬ রান। উল্লেখযোগ্য ইনিংস খেললেও সেটা বড় করতে পারেননি ওপেনার টিম সেইফার্ট (৩৫), ফিন অ্যালেন (২৯), গ্লেন ফিলিপস (৩৯)। দুটি করে উইকেট নেন আদিল রশিদ, উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ।
পড়ুন : বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়েকে ৭২ রানে হারিয়ে সেমির আশা বাঁচালো ভারত


