ইসরাইলি-মার্কিন যৌথ সামরিক আগ্রাসনের জবাবে ইসরাইলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
লক্ষ্যবস্তুগুলো হলো- কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি, কুয়েতের আল সালেম বিমান ঘাঁটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল দাফরা বিমান ঘাঁটি ও বাহরাইনের পঞ্চম মার্কিন ঘাঁটি। এগুলো প্রধানত সামরিক গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন-তেহরান পরোক্ষ আলোচনার মধ্যে আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে শুরু করেছে ইসরাইল। মার্কিন ও ইসরাইলি যৌথ হামলায় তেহরানে ইরানি প্রেসিডেন্টের বাসভবনসহ ৩০টিরও বেশি স্থান লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। জবাবে ইসরাইলে পাল্টা হামলা শুরু করেছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিগুলো টার্গেট করা হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আজ সকালে ইসরাইলের হামলায় দেশের ‘ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব’ লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এতে প্রতিরক্ষা অবকাঠামো ছাড়াও বিভিন্ন শহরের কিছু বেসামরিক স্থানও আক্রান্ত হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের এই সামরিক পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘ সনদের নীতির লঙ্ঘন। ইরান একে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে এবং জোর দিয়ে বলেছে, তারা প্রয়োজনীয় ও কঠোর জবাব দেয়ার অধিকার রাখে। ইরান জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে বলেছে, তাদের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরানি জনগণ সবসময় ধৈর্য ও সংযম দেখিয়েছে যাতে পরিস্থিতি না বাড়ে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। তবে এখন সশস্ত্র বাহিনী দেশ রক্ষায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং হামলাকারীরা তাদের এই পদক্ষেপের ফল ভোগ করবে।
এদিকে একজন উচ্চপদস্থ ইরানি কর্মকর্তা আল জাজিরাকে ‘মধ্যপ্রাচ্যে সব আমেরিকান ও ইসরাইলি সম্পদ ও স্বার্থ এখন বৈধ লক্ষ্যবস্তু। এই আগ্রাসনার পর আর কোনো রেড লাইন নেই এবং সবকিছু সম্ভব, এমনকি পূর্বে বিবেচনা করা হয়নি এমন পরিস্থিতিও।’
লক্ষ্যবস্তুগুলো হলো- কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি, কুয়েতের আল সালেম বিমান ঘাঁটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল দাফরা বিমান ঘাঁটি ও বাহরাইনের পঞ্চম মার্কিন ঘাঁটি। এগুলো প্রধানত সামরিক গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন-তেহরান পরোক্ষ আলোচনার মধ্যে আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে শুরু করেছে ইসরাইল। মার্কিন ও ইসরাইলি যৌথ হামলায় তেহরানে ইরানি প্রেসিডেন্টের বাসভবনসহ ৩০টিরও বেশি স্থান লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। জবাবে ইসরাইলে পাল্টা হামলা শুরু করেছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিগুলো টার্গেট করা হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আজ সকালে ইসরাইলের হামলায় দেশের ‘ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব’ লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এতে প্রতিরক্ষা অবকাঠামো ছাড়াও বিভিন্ন শহরের কিছু বেসামরিক স্থানও আক্রান্ত হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের এই সামরিক পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘ সনদের নীতির লঙ্ঘন। ইরান একে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে এবং জোর দিয়ে বলেছে, তারা প্রয়োজনীয় ও কঠোর জবাব দেয়ার অধিকার রাখে। ইরান জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে বলেছে, তাদের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরানি জনগণ সবসময় ধৈর্য ও সংযম দেখিয়েছে যাতে পরিস্থিতি না বাড়ে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। তবে এখন সশস্ত্র বাহিনী দেশ রক্ষায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং হামলাকারীরা তাদের এই পদক্ষেপের ফল ভোগ করবে।
এদিকে একজন উচ্চপদস্থ ইরানি কর্মকর্তা আল জাজিরাকে ‘মধ্যপ্রাচ্যে সব আমেরিকান ও ইসরাইলি সম্পদ ও স্বার্থ এখন বৈধ লক্ষ্যবস্তু। এই আগ্রাসনার পর আর কোনো রেড লাইন নেই এবং সবকিছু সম্ভব, এমনকি পূর্বে বিবেচনা করা হয়নি এমন পরিস্থিতিও।’


