পবিত্র রমজান মাস চলছে। এ মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা রোজা পালন করেন। সাহরি খাওয়ার পর সারাদিন না খেয়ে থেকে সন্ধ্যায় মাগরিবে খাবার খাবার খেয়ে ইফতার করেন। আর দিনভর না খেয়ে থাকার কারণে ইফতারের পর স্বাভাবিকের তুলনায় খাবার বেশি খাওয়া হয়।
এ বছর শীতের প্রায় শেষ মুহূর্ত এবং গ্রীষ্মের শুরুর দিকে রমজানের আগমন হয়েছে। শহরাঞ্চলে রাতে গরম এবং গ্রামে এখনো শীত। তবে দিনে শহর ও গ্রাম, উভয় জায়গাতেই গ্রীষ্মের গরম আবহাওয়া বয়ে বেড়ায়। সবমিলে ক্রমেই তপ্ত হয়ে উঠছে আবহাওয়া। এমন সময় রমজানের আগমনে দিনে যেন পানি তৃষ্ণা না পায় কিংবা রমজানে বা রমজান পরবর্তীতে পানিশূন্যতা দেখা না দেয়, এ জন্য ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত বেশি বেশি পানি পান করা হয়।
স্বাভাবিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য পানি পানের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু রমজানে কীভাবে বা কতটুকু পানি পান করতে হবে, তা অনেকেরই অজানা। এ রমজানে ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত পানি পানের নিয়মাবলীর ব্যাপারে চ্যানেল 24 অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন রাজধানীর মিরপুরের নিউট্রিলার্নবিডির নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েট কনসাল্টেন্ট পুষ্টিবিদ রোকসানা তনু।
ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত কতটুকু পানি পান করা উচিত:
পুষ্টিবিদ রোকসানা তনু বলেন, রমজানে শরীর হাইড্রেট রাখার জন্য ইফতার থেকে সাহরির মধ্যে প্রায় ১০-১২ গ্লাস বা প্রায় ২ থেকে ৩ লিটার পরিমাণ তরল গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে পানি পানের ক্ষেত্রে একসঙ্গে বেশি পান না করে অল্প অল্প করে সময় নিয়ে পান করা ভালো। এ সময় ৪-২-২-২ প্যাটার্ন ফলো করতে পারেন।
পানি পানের ৪-২-২-২ প্যাটার্ন কী:
পুষ্টিবিদ রোকসানা তনু বলেন, রমজানে পানি পানের ক্ষেত্রে ৪-২-২-২ প্যাটার্ন সহায়ক হতে পারে শরীর হাইড্রেট রাখার জন্য। এটি হচ্ছে- ইফতারে ৪ গ্লাস, মাগরিবের পর ২ গ্লাস, রাতে খাবার খাওয়ার পর ২ গ্লাস এবং সাহরিতে ২ গ্লাস পানি পান করতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা হলে রোজার সময় মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা ও ক্লান্তি কিছুটা কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
পড়ুন:অস্ট্রেলিয়া সফরে যাচ্ছে ব্যান্ড ‘শিরোনামহীন’
দেখুন:বিশ্বের দীর্ঘতম ১০ মেট্রোরেল শহর কোনগুলো ? |
ইমি/


