যশোর শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে হারুন অর রশিদ নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দুপুর একটার দিকে যশোরের মসজিদ লেনের প্রিন্স আবাসিক হোটেলের ৩০৩ নম্বর কক্ষের দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত হারুন অর রশিদ মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার মালোপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং সামাদ বাবুর্চির ছেলে।
হোটেল সূত্রে জানা যায়, গত ৩ মার্চ তিনি হোটেলের ওই কক্ষে ওঠেন। বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাকে রুমে দেখা গেলেও বৃহস্পতিবার নির্ধারিত সময়ে চেকআউট না করায় সন্দেহ তৈরি হয়। পরে দরজায় অনেকক্ষণ ধাক্কাধাক্কির পরও কোনো সাড়া না পেলে বিষয়টি পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়িতে জানানো হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করে। এ সময় বিছানার ওপর অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় হারুন অর রশিদকে। ডাকাডাকির পরও সাড়া না পেয়ে তাকে মৃত বলে ধারণা করা হয়।
পুলিশ জানায়, মরদেহের পাশে থাকা মোবাইল ফোনটি ফ্লাইট মোডে ছিল। সেটি বন্ধ করার পরপরই একটি কল আসে। পরে জানা যায়, কলকারী আসাদুজ্জামান তার জামাতা। তাকে মৃত্যুর খবর দেওয়া হলে তিনি মুন্সিগঞ্জ থেকে যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হারুন অর রশিদ ঢাকার মিটফোর্ড এলাকায় ‘শামীম প্লাস্টিক হাউজ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং প্লাস্টিক ও কাচের মালামালের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
কোতোয়ালি থানার পুলিশ জানায়, মরদেহে কোনো দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাটি ঘিরে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পড়ুন:সরকারি ডাক্তার ডিউটি চলাকালে ব্যক্তিগত চেম্বার করলে লাইসেন্স স্থগিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেখুন:ঝিনাইদহ-৪ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন রাশেদ খান |
ইমি/


