অক্টোবরের পর থেকেই ওয়ানডে ফরম্যাটে আর কোনো ম্যাচ খেলেনি বাংলাদেশ। একইসঙ্গে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলায় লম্বা সময় ধরে টাইগাররা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে রয়েছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ। আগামী ১১ মার্চ তিন ম্যাচের এই সিরিজ শুরু হবে। প্রতিটি ম্যাচ হবে মিরপুর শের-ই বাংলায়, যেখানে আগের মতো ধীরগতির আর বোলিংবান্ধব উইকেট দেখা যাবে না বলে আভাস মিলেছে।
এই তথ্য জানিয়েছেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম। একইসঙ্গে পাকিস্তান সিরিজে স্বাগতিকদেরই এগিয়ে রাখলেন তিনি, ‘সম্প্রতি দেখেছি মিরপুরে আগের স্লো ও লো উইকেট এখন হয় না। সম্প্রতি যে ধরনের উইকেটে খেলা হয়েছে সেরকম উইকেট থাকবে। আশা করছি রান করা খুব কঠিন হবে না। কম্পিটিটিভ হবে, তবে রান করা কঠিন হবে না। কিছু এডভান্টেজ তো থাকবেই, যেহেতু আমরা এই উইকেটে খেলে অভ্যস্ত। পাকিস্তান দল এখানে অভ্যস্ত না। তাই সামান্য হলেও আমরা এগিয়ে থাকব। কিন্তু অনেক আগে যে ধরনের (স্পিন) এডভান্টেজ পেতাম সেটা হয়তো পাব না।’
পাকিস্তান দলে ৬ জন অনভিষিক্ত ক্রিকেটারকে নিয়ে দল সাজালেও তাদের খাটো করে দেখতে নারাজ ফাহিম, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সবসময়ই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। এখানে (কাউকে) খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। পাকিস্তান নিশ্চয়ই এমন একটা দল পাঠাবে না যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারবে না। এ মুহূর্তে দেশসেরা দলটাই নিশ্চয়ই ওরা পাঠাচ্ছে। যাদের নির্বাচন করা হয়েছে, যাদেরকে নির্বাচন করা হয়নি তাদের চেয়ে ভালো করবে বলেই পাকিস্তান তাদের বেছে নিয়েছে। আমার ধারণা তাই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কেউই চাইবে না খর্বশক্তির দল পাঠাতে, সেরা পারফরম্যান্স আদায় না করার মতো কোনো দল পাঠাবে।’
সাবেক প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নুও এই সিরিজ নিয়ে আশাবাদী, ‘ক্রিকেটাররা খেলার মধ্যেই ছিল। তারপরও চ্যালেঞ্জ থেকে যাবে। পাকিস্তান অনেক ভালো দল। তবে সেরাটা খেললে আশা করি ভালো করব। আর যেহেতু মিরপুরে খেলা, এডভান্টেজ আছে। এখানে সবসময় আমরা ভালো খেলে থাকি।’
একইসঙ্গে স্বাগতিক হলেও বাংলাদেশকে পাকিস্তান কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে বলেও দাবি নান্নু’র, ‘পাকিস্তানের যেহেতু অনেক নতুন খেলোয়াড় এসেছে, আমাদের তাই চাপ বেশি। আমাদের সেরাটা দিতে না পারলে সিরিজ জেতা মুশকিল হবে। সিরিজের পয়েন্টগুলো খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ। র্যাঙ্কিংয়ে উপরে না থাকলে বাছাইপর্ব খেলা লাগতে পারে। পাকিস্তান যেহেতু নতুন খেলোয়াড় নিয়ে আসছে, ওদের জন্যও বিরাট চ্যালেঞ্জ। নতুন খেলোয়াড়রাও চেষ্টা করবে ওদের সেরাটা দেওয়ার জন্য যাতে দলে থিতু হতে পারে।’
পড়ুনঃসৌদির তেলের খনি লক্ষ্য করে ইরানের ড্রোন হামলা
ইমিঃ


