ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় একই স্থানে বিএনপির দু’গ্রুপ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করায় সংঘর্ষের আংশকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। রোববার সকালে পৌর এলাকার নলডাঙ্গা সড়কের লাটা স্ট্যান্ডের পেছনের মাঠে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুবীর কুমার দাস ১৪৪ ধারা জারি করেন। রবিবার দুপুর ১ টার দিকে জনগণকে জানাতে শহরে মাইকিং বের করে স্থানীয় প্রশাসন।
আদেশে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের পক্ষে কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম নলডাঙ্গা সড়কের বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সামনের মাঠে এবং একই স্থানে ঝিনাইদহ-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খানের পক্ষে উপজেলা কৃষকদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক জালাল উদ্দিন ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। একই স্থানে একই সময়ে দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা সংঘর্ষের আশঙ্কায় উপজেলা প্রশাসন রোববার সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে সকল ধরনের সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
এর আগে রবিবার (০৮ মার্চ) সকাল থেকেই নির্ধারিত স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। গতকাল (শনিবার) থেকেই মঞ্চ সাজানো ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ করা হয় পুলিশের বিরুদ্ধে।
কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম বলেন, তিনি প্রায় ১০ দিন আগে লিখিত অনুমতি চেয়েছি। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৌখিক অনুমতি দিলেও শেষ পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল পণ্ড করে দিয়েছে প্রশাসন। ২০২৪ সালেও এই মাঠে বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল বন্ধ করে দেয় আওয়ামী পুলিশ। সেই ইফতার ও দোয়া মাহফিলে বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভার্চুয়ালি যোগ দেওয়ার কথা ছিল।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। নির্ধারিত মাঠে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই মাঠের আধা কিলোমিটারের মধ্যে কাউকে তিনজনের বেশি একসাথে কাউকে ইফতার করতে দেওয়া হবে না।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজেওয়ানা নাহিদ বলেন, জননিরাপত্তার স্বার্থে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পড়ুন:গাংনীতে এনসিপির উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ
দেখুন:কুমিল্লায় পূজা চলাকালীন সময়ে মন্দিরে ক/ক/টে/ল বি/ষ্ফো/র/ণ |
ইমি/


