বিজ্ঞাপন

প্রবীণের সঙ্গে তরুণের বন্ধুত্ব কেন গুরুত্বপূর্ণ

দুজন ব্যক্তির বয়সের ফারাক যদি কমপক্ষে ১৮ বছর হয়, তাহলে তাঁদের বন্ধুত্বকে বলা যেতে পারে ‘ইন্টারজেনারেশনাল ফ্রেন্ডশিপ’ বা আন্তপ্রজন্মগত বন্ধুত্ব। এই বন্ধুত্ব এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে জনপ্রিয়। গবেষণায় দেখা গেছে, সমবয়সী বন্ধুত্বের তুলনায় আন্তপ্রজন্মগত বন্ধুত্ব হয় ভিন্ন মাত্রার এবং গভীর। দুজনের বেঁচে থাকার বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতাই এ ধরনের বন্ধুত্বকে চট করে আর সব বন্ধুত্ব থেকে আলাদা করে ফেলে। প্রবীণ ও তরুণের বন্ধুত্ব মজবুত আস্থা আর নির্ভরশীলতার ওপর ভর করে দাঁড়িয়ে থাকে।

বিজ্ঞাপন

১. পারস্পরিক শেখা ও জ্ঞানের বিনিময়

প্রবীণ বন্ধুরা জীবনের অভিজ্ঞতা, পরামর্শ ও দৃঢ় মানসিকতা ভাগ করে নিতে পারেন। আর তরুণেরা আধুনিক চিন্তা, জীবনযাপন, প্রযুক্তি ও নতুন ধারণা শেয়ার করতে পারেন। ফলে দুই পক্ষই একে অন্যের থেকে শিখতে ও অনুপ্রাণিত হতে পারেন।

২. মানসিক ও সামাজিক স্বাস্থ্যের উন্নতি

এ ধরনের সম্পর্ক বয়স্কদের অবসাদ ও একাকিত্ব কমাতে সাহায্য করে। অন্যদিকে তরুণদের সহানুভূতি ও সামাজিক দক্ষতা বাড়াতে সহায়ক। একজন অপরজনের মানসিক প্রয়োজন বোঝার চেষ্টা করেন। ফলে এ ধরনের বন্ধুত্ব আদতে উভয়কেই পূর্ণতার অনুভূতি দেয়, বন্ধুত্বের সীমানাকে সম্পূর্ণ করে। অন্য সব বন্ধুত্বের তুলনায় আন্তপ্রজন্মগত বন্ধুত্ব আত্মবিশ্বাস ও আনন্দ দেয়; জীবনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে দেয় স্পষ্ট ধারণা।

৩. যৌথ মূল্যবোধ

বয়সের ফারাক থাকার পরও জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা শেয়ার করলে সহানুভূতি, মর্যাদা ও বিচারের বাইরে যৌথ মূল্যবোধ তৈরি হয়। ভিন্ন বয়সের মানুষের চিন্তা বা জীবনদর্শনের প্রতি গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়। অন্য একজনকে বুঝতেও সুবিধা হয়।

৪. সামাজিক বন্ধন

এ ধরনের সম্পর্ক আপনাকে ‘এজিস্ট’ হওয়া থেকে বাঁচাবে। ‘তাঁর বয়স হয়েছে, উনি এখন এসবের কী বুঝবেন’ বা ‘ও তো সেদিনের মেয়ে, ও জীবন সম্পর্কে কী জানে’—এ ধরনের ধারণা পোষণ বা মন্তব্য করা থেকে আপনাকে বিরত রাখবে।

ফলে বয়সনির্বিশেষে মানুষকে বিচার করা বা মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়া আপনার জন্য সহজ হবে। এককথায় এ ধরনের বন্ধুত্ব সামাজিক বিচ্ছিন্নতা ও বয়সভিত্তিক বিভাজন কমিয়ে দেয়। সমাজের প্রতি একটি সহানুভূতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলে।

পড়ুন- ৫ আসনের ব্যালট-রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

দেখুন- সবাইকে শৃঙ্খল হতে হবে, অনাচার-চাঁদাবাজি চলবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন