বিজ্ঞাপন

হাদির হত্যাকারীদের ফেরত দেয়ার প্রশ্নে যা জানাল ভারত

শহিদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারী সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। ফয়সাল এবং আলমগীর নামের দুই অভিযুক্তকে পশ্চিমবঙ্গের আদালত ১৪ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে। তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ সরকার ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন ছুড়ে দেন গৌতম লাহিড়ি। তিনি জানতে চান, হাদির হত্যাকারীদের বাংলাদেশের কাছে ফিরিয়ে দেয়া বা কনস্যুলার অ্যাকসেসের বিষয়ে ভারতের অবস্থান কি? জবাবে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালবলেন, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি চলমান তদন্তের সাথে সংশ্লিষ্ট; তাই এই বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য করা সমীচীন হবে না।

এর আগে গত রোববার (৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বলেন, চাঁদাবাজি এবং খুনের মতো গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত দুই বাংলাদেশি তাদের দেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে এবং বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে একটি অভিযান চালানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, শনিবার মধ্যরাতে চালানো অভিযানে বনগাঁ এলাকা থেকে ওই দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন- রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭ বছর), তিনি বাংলাদেশের পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং (২) আলমগীর হোসেন (৩৪ বছর), তিনি ঢাকার বাসিন্দা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ, আলমগীর হোসেনের সঙ্গে মিলে ওসমান হাদিকে হত্যা করে পালিয়ে এসেছে। তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করে, ভারতের বিভিন্ন স্থানে বিচরণ করে এবং অবশেষে বাংলাদেশে ফিরে আসার উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁয় আসে। এ নিয়ে একটি মামলা দায়ের হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ৫ বাংলাদেশি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন