পবিত্র রমজান মাস প্রায় শেষ মুহূর্তে। এ মাসে স্বাভাবিকভাবেই কর্মসূচিতে পরিবর্তন আসে। একইসঙ্গে খাবার খাওয়ার সূচি এবং খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন এসে থাকে। দিনভর না খেয়ে থাকা হয়। ফলে সন্ধ্যায় ইফতারের আগ মুহূর্তে মিসওয়াক এবং ভোরে সাহরিতে দাঁত ব্রাশ করা হয়। কেউ কেউ রাতে তারাবির পর খাবার খেয়ে দাঁত ব্রাশ করেন। কিন্তু এর বাইরেও দাঁতের যত্নে নানা করণীয় থাকে।
রমজানে দীর্ঘ সময় রোজা রাখার কারণে অনেক সময় মুখের ভেতর লালা (Saliva) স্বাভাবিক সময়ের থেকে কম তৈরি হয়। লালা দাঁতকে স্বাভাবিকভাবে সুরক্ষা প্রদান করে এবং মুখের ভেতরের অ্যাসিডের প্রভাব কমাতে সাহায্য করে। এ জন্য রমজানে অনেকের দাঁত কিছুটা সংবেদনশীল (Tooth Sensitivity) হয়ে যেতে পারে বলে চ্যানেল 24 অনলাইনকে জানালেন রাজধানী ঢাকার তেঁজগাওয়ের ইমপালস হসপিটালের কনসালটেন্ট ডেন্টাল সার্জন ডা. সায়মা আরিফ।
রমজান মাসে, বিশেষ করে যাদের দাঁতের এনামেল কিছুটা ক্ষয় হয়েছে, মাড়ি সরে গেছে বা আগে থেকেই দাঁত সংবেদনশীল―তাদের ক্ষেত্রে খুব গরম বা খুব ঠান্ডা খাবার খেলে দাঁতে হঠাৎ ঝাঁকুনি বা ব্যথা অনুভূত হতে পারে। কারণ, তাপমাত্রার দ্রুত পরিবর্তন দাঁতের ভেতরের স্নায়ুকে উদ্দীপিত করে।
রমজানে দাঁতের এসব অস্বস্তি এড়াতে কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চলা উত্তম বলেও জানিয়েছেন ডেন্টাল সার্জন ডা. সায়মা আরিফ। সেসব হলো―খুব গরম চা বা কফি একটু ঠান্ডা করে পান করুন। ইফতারের সময় একদম বরফ ঠান্ডা পানীয় হঠাৎ করে পান না করাই ভালো।
এছাড়া মাঝারি তাপমাত্রার খাবার ও পানীয় গ্রহণ করার চেষ্টা করতে হবে। ইফতার ও সাহরির পর নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করার অভ্যাস করতে হবে। দাঁত সংবেদনশীল হলে ডেন্টিস্টের পরামর্শে সেনসিটিভ টুথপেস্ট ব্যবহারে স্বস্তি মিলে। আর ছোট ছোট এসব সচেতনতা রমজানেও হাসি সুস্থ ও সুন্দর রাখতে পারে বলেও জানান ডা. সায়মা আরিফ।
পড়ুন:একযোগে ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ
দেখুন:রাষ্ট্রপতির বাড়িতে যেসব খাবার খেলেন প্রধানমন্ত্রী |
ইমি/


