বিজ্ঞাপন

দিনমজুর রোমানের মুখে হাসি ফোটালেন বিএনপি নেতা রনি খান

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নেত্রকোনায় এক অসহায় যুবকের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন জেলা বিএনপি নেতা ও জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন খান রনি। নিজ উদ্যোগে ওই যুবককে একটি নতুন ব্যাটারি চালিত রিকশা (অটোরিকশা) উপহার দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১৬ মার্চ) রাত পৌনে ৮টার দিকে নেত্রকোনা পৌরশহরের চকপাড়াস্থ নিজ কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রিকশার চাবি ওই যুবকের হাতে তুলে দেন এই বিএনপি নেতা। এ সময় রিকশার ব্যাটারিতে প্রথমবার চার্জ দেওয়ার জন্য নগদ ৫০০ টাকাও প্রদান করেন তিনি।

উপহারপ্রাপ্ত যুবকের নাম মোহাম্মদ রোমান মিয়া। তিনি নেত্রকোনা শহরের সাতপাই বর্শিকুড়া এলাকার মোহাম্মদ স্বপন মিয়ার ছেলে।

রিকশা হস্তান্তরের সময় আব্দুল্লাহ আল মামুন খান রনি বলেন, ‍“আমাদের সাধ্য হয়তো কম, তবে যতটুকু সামর্থ্য আছে তা নিয়েই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। রমজান মাসের শেষার্ধে এসে ঈদ উপলক্ষে আমার ছোট ভাই রোমানের জন্য আমরা সকলে মিলে অটোরিকশাটির ব্যবস্থা করেছি। মানুষের জন্য কিছু করতে পারার মধ্যেই আত্মতৃপ্তি ও প্রকৃত আনন্দ।”

তিনি আরও বলেন, “সমাজের প্রত্যেক বিত্তবান মানুষ যদি তাদের কর্মের মাধ্যমে অন্তত একজন করে অসহায় মানুষকেও স্বাবলম্বী করে দেওয়ার উদ্যোগ নেন, তবে ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ একদিন সোনার বাংলাদেশে রূপান্তরিত হবে।”

এদিকে, জীবিকা নির্বাহের জন্য ঈদ উপহার হিসেবে এমন একটি রিকশা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন যুবক রোমান মিয়া। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে জানান, রিকশাটি পেয়ে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। আগে রাজমিস্ত্রির কাজসহ অন্যান্য ছোটখাটো কাজ করে অনেক কষ্টে দিন পার করতেন। চার সদস্যের পরিবারে এখন থেকে রিকশা চালিয়েই ভালোভাবে সংসার চলবে বলে তিনি আশাবাদী। রিকশা উপহার দাতাদের প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবেন ও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবেন বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। চাবি হস্তান্তরের পর রঙ্গিন ফিতায় সাজানো নতুন রিকশাটি চালিয়ে রোমান মিয়া যখন রাতের রাস্তায় নেমে যান। তখন সেখানে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সরকারি অফিসে প্রকাশ্যে অফিস চলাকালীন নিজ কক্ষে করেন ধূমপান

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন