বিজ্ঞাপন

ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ জ্বালানি সংকটের মুখে বিশ্ব: আইইএ

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা নজিরবিহীন হুমকির মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রধান ফাতিহ বিরোল। এ পরিস্থিতিতে সরকারগুলোর জ্বালানি ব্যবহার কমানোর বিষয়ে ‘আরও সরব’ হওয়ার ওপর জোর দিইয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২০ মার্চ) প্রকাশিত আইইএ’র এক প্রতিবেদনে জ্বালানি ব্যবহার নিয়ে বেশ কিছু জরুরি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গৃহস্থালিতে জ্বালানির চাহিদা কমানোর জন্য মহাসড়কে গতিসীমা হ্রাস এবং সম্ভব হলে বাসা থেকে কাজ করার পরামর্শ।

বিবিসির সঙ্গে আলাপে বিরোল বলেন, বর্তমান সংকটের ফলে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকট বা ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা সময়ের প্রাকৃতিক গ্যাস সংকটের চেয়েও ‘অনেক বড়’। প্রসঙ্গত, সত্তরের দশকের ওই তেল সংকটের প্রেক্ষাপটেই আইইএ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

তার মতে, এই সংকটের ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একক সমাধান’ হলো হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি’ যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরতে ‘মাসের পর মাস’ সময় লাগতে পারে। এর ফলে ‘বিশ্ব অর্থনীতিতে, বিশেষ করে উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে’ নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এদিকে ইরানের ওপর সামরিক বিজয় দাবি করলেও হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ক্রমেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অসহায়ত্ব ফুটে উঠছে। ন্যাটো এবং পূর্ব এশিয়ার মিত্রদের কাছে সহায়তা চেয়েও পাননি তিনি। এদিকে যুদ্ধে শীর্ষ নেতাদের হারানোর পাশাপাশি সামরিক এবং বেসামরিক অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতিসাধন হলেও হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে ইরান।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ইরানি খারগ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন