একমাস কঠোর সিয়াম সাধনার পর যথাযোগ্য মর্যাদায়, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে, বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় মৌলভীবাজারে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। মোগল স্থাপত্যের আদলে নির্মিত, শৈল্পিক কারুকার্যের দৃষ্টিনন্দন হযরত সৈয়দ শাহ্ মোস্তফা (রহ:) পৌর ঈদগাহে, এ জেলার সর্ববৃহৎ ঈদুল ফিতরের প্রধান তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হয় মৌলভীবাজার পৌরসভার তত্বাবধানে। প্রতিটি জামাতেই ঢল নামে জেলাসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত বিপুল সংখ্যক মুসল্লির।
সকাল সাড়ে ৬টায় প্রথম জামাতে ইমামতি করেন, হযরত সৈয়দ শাহ্ মোস্তফা (রহঃ) দরগা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুফতি শিহাব উদ্দিন আলীপুরী, সানী ইমামের দায়িত্ব পালন করেন হাফিজ মাওলানা সৈয়দ মাজদুদ আহমদ রাফিদ, সকাল সাড়ে ৭ টায় দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন সুলতানপুর জামে মসজিদের ইমাম মুফতি মাওলানা শামছুজ্জোহা, সর্বশেষ সকাল সাড়ে ৮ টায় তৃতীয় জামাতে ইমামতি করেন টাউন দেওয়ানী জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আখিল উদ্দিন। প্রতিটি জামাতে ঈদগাহ ময়দানের ভিতরে এক কাতারে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি আর মাঠের বাহিরের মূল সড়ক মিলে একসাথে প্রায় ত্রিশ হাজার মুসল্লী নামাজ আদায় করেন।
প্রথম জামাতে অংশনেন মৌলভীবাজার-তিন (সদর-রাজনগর) আসনের এমপি এম নাসের রহমান, জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল, জেলা পরিষদ প্রশাসক ভিপি মিজানুর রহমান, জেলা বিএনপির আহবায়ক মো: ফয়জুল করিম ময়ূন, পৌরসভার প্রশাসক রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তারাসহ সাধারণ মুসল্লিরা।
নামাজ শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত ও দেশবাসীর সুখ, শান্তি, অগ্রগতি, কল্যাণ কামনা করে দোয়া করা হয়। এ সময় ঈদগাহ ও আশপাশের নিরাপত্তা রক্ষায় যৌথবাহিনী, পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা টহলে ছিলেন।
এছাড়াও মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন ঈদগাহ ও মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা।
পড়ুন- ৬ লাখ মুসল্লির ঢলে ইতিহাস ছুঁলো শোলাকিয়া ময়দান
দেখুন- দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে জিয়া উদ্যানে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী


