বিজ্ঞাপন

আইপিএল শুরুর আগেই বিপাকে কলকাতা

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৬ আসরের পর্দা উঠতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। আগামী ২৮ মার্চ শুরু হতে যাওয়া এই জমজমাট টুর্নামেন্টের আগে একের পর এক দুঃসংবাদে দিশেহারা হয়ে পড়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। বিশেষ করে তাদের পেস বোলিং বিভাগে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের সংকট।

বিজ্ঞাপন

দলের মালিক শাহরুখ খান ও কোচ অভিষেক নায়ার এখন সবচেয়ে বেশি চিন্তায় আছেন বোলিং লাইনআপ নিয়েই। এর শুরুটা হয়েছিল বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান-কে দল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত দিয়ে, এরপর যেন দুর্ভাগ্য আরও জেঁকে বসেছে।

চোটের ধাক্কায় একে একে ছিটকে যাচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ পেসাররা। শ্রীলঙ্কান তারকা মাথিশা পাথিরানা এখনও পায়ের পেশির ইনজুরি কাটিয়ে উঠতে পারেননি। ধারণা করা হচ্ছে, এপ্রিলের মাঝামাঝির আগে তাকে পাওয়া যাবে না।

আরও বড় ধাক্কা এসেছে ভারতীয় পেসার আকাশ দীপ-কে নিয়ে। পিঠের ইনজুরির কারণে পুরো আসর থেকেই ছিটকে গেছেন তিনি। মাঠে ফিরতে তার অন্তত তিন মাস সময় লাগবে।

এদিকে হাঁটুর অস্ত্রোপচারের কারণে আসরের বড় একটি অংশ মিস করতে যাচ্ছেন হার্ষিত রানা। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে চোট পাওয়ার পর থেকেই তিনি মাঠের বাইরে রয়েছেন।

সব মিলিয়ে কেকেআরের বোলিং আক্রমণে বড় ফাঁক তৈরি হয়েছে। এমনকি রেকর্ড দামে দলে নেওয়া অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন-এর বোলিং নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। ইনজুরি কাটিয়ে ফিরলেও তিনি পুরো চার ওভার বল করতে পারবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার পর বিকল্প হিসেবে জিম্বাবুয়ের ব্লেসিং মুজারাবানি-কে দলে নিয়েছে কলকাতা। এছাড়া স্কোয়াডে আছেন বৈভব অরোরা, উমরান মালিক ও কার্তিক তিয়াগির মতো তরুণ পেসাররা।

তবে অভিজ্ঞ পেসারদের অনুপস্থিতিতে এই তরুণদের ওপরই বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নতুন কোনো পেসার দলে ভেড়ানোর কথাও ভাবছে কেকেআর ম্যানেজমেন্ট।

সব মিলিয়ে আইপিএল শুরুর আগেই বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এখন দেখার বিষয়—এই সংকট কাটিয়ে তারা কতটা ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

পড়ুন- সুদানের হাসপাতালে ভয়াবহ হামলা, ঝরে গেল ৬৪ প্রাণ

দেখুন- জামালপুরে ব্রিজ দুর্ঘটনা নিয়ে যা বললেন বিমান প্রতিমন্ত্রী 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন