বিজ্ঞাপন

ফুটপাত-সড়ক থেকে অবৈধ স্থাপনা সরাতে ডিএমপির আল্টিমেটাম

ঢাকা মহানগরীতে ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে পরিচালিত দোকান, রেস্টুরেন্ট ও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বর্ধিতাংশ অপসারণে নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সোমবার (২৩ মার্চ) ডিএমপি সদরদপ্তর থেকে জারি করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ দখল সরিয়ে না নিলে আগামী ১ এপ্রিল থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় সড়কের পাশে অবস্থিত খাবার রেস্টুরেন্ট, মোটরগাড়ি মেরামতের ওয়ার্কশপ, ওয়েল্ডিং ওয়ার্কশপ, পোশাক ও আসবাবপত্রের দোকানসহ নানা ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিজেদের নির্ধারিত সীমানার বাইরে ফুটপাত ও রাস্তার অংশ দখল করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে পথচারীদের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে এবং তাদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, অনেক রেস্টুরেন্ট ফুটপাতের ওপর রান্নার বার্নার, হাড়িপাতিল ও গ্রিল মেশিন স্থাপন করছে। একইভাবে মোটর ওয়ার্কশপগুলো পুরোনো ও নতুন টায়ার এবং যন্ত্রপাতি ফুটপাত ও সড়কে রেখে কাজ পরিচালনা করছে। কোথাও কোথাও গাড়ি মেরামতের জন্য রাস্তার এক লেন পর্যন্ত দখল করা হচ্ছে। এছাড়া পোশাক ও আসবাবপত্রের দোকানগুলোও প্রদর্শনীর মালামাল ফুটপাতের ওপর রাখছে।

ডিএমপি জানায়, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে পথচারীরা বাধ্য হয়ে সড়কে চলাচল করছেন, ফলে যানজট বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।

এ অবস্থায় মহানগরীর সংশ্লিষ্ট সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের জনস্বার্থে অবিলম্বে ফুটপাত ও রাস্তা থেকে মালামাল ও সরঞ্জামাদি অপসারণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় ১ এপ্রিল থেকে ডিএমপির স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সামারি ট্রায়াল ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড এবং সংশ্লিষ্ট মালামাল বাজেয়াপ্তসহ কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে পুলিশ প্রশাসন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : র‍্যাব বিলুপ্তির আহবান জানিয়ে আন্তর্জাতিক ৯ সংগঠনের খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন