বিজ্ঞাপন

মেহেরপুরে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২৫

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামের কড়ুইতলা পাড়ায় ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। সোমবার সকালে শুরু হওয়া বিরোধ সন্ধ্যার পর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকলেও এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ইউপি সদস্য আনারুল ইসলামের পরিবারের ওপর দবির হোসেন গ্রুপের লোকজন হামলা চালায়। এতে আনারুল ইসলামের পিতা আনসার আলী (৬৫) ও মাতা শাহনাজ পারভীন (৫৮) আহত হন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এর জের ধরে সোমবার রাত ৮টার দিকে দবির হোসেন গ্রুপ ও সাবেক ইউপি সদস্য ফরমান আলীর সমর্থকদের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ বাধে। এ সময় উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়। সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

আহতদের মধ্যে দবির হোসেন গ্রুপের রিয়া খাতুন (৪০), মিঠুন আলী (৩২), উজ্জ্বল হোসেন (৩৮), মুন্তাজ আলী (৫০), শরিফুল ইসলাম (৪৩) ও রফিকুল ইসলাম (৬০) উল্লেখযোগ্য। অপরদিকে ফরমান আলী গ্রুপের আসমাউল হুসনা (২৬), মুকুল হোসেন (৪৫), আসিফ হোসেন (২৫), তকুল হোসেন (৫০), হামিদুল ইসলাম (৫০), আইনাল হক (৬০) ও বরকত আলী (৪০)সহ অন্তত ২৫ জন আহত হন।

সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত আহতদের মধ্যে অন্তত ১৫ জন চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যান। গুরুতর আহত রিয়া খাতুন ও শরিফুল ইসলামকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে এবং আসমাউল হুসনাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গাংনী থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মেহেরপুরের পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : চরফ্যাশনে ৫ দোকান ভস্মীভূত, আগুন কেড়ে নিলো জীবিকার ভরসা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন