বিজ্ঞাপন

কোহলির রেকর্ড ভেঙে মাসসেরা সাহিবজাদা

শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বিরাট কোহলির করা এক আসরের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ভেঙে দেন সাহিবজাদা ফারহান। দুর্দান্ত ওই পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ফেব্রুয়ারি মাসের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন পাকিস্তানের এই ওপেনার। 

বিজ্ঞাপন

টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন ফারহান। সাত ম্যাচে ছয় ইনিংসে ৩৮৩ রান করেন তিনি, গড় ৭৬.৬০। তার ইনিংসে ছিল দুটি সেঞ্চুরি ও দুটি হাফ সেঞ্চুরি।

ডানহাতি এই ব্যাটার পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে। ১৬০.২৫ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করার পাশাপাশি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ভেঙেছেন, যা আগে ছিল বিরাট কোহলির দখলে। এটি ফারহানের ক্যারিয়ারের প্রথম আইসিসি মাসসেরা পুরস্কার। ২০২৪ সালের নভেম্বরে হারিস রউফের পর প্রথম পাকিস্তানি ক্রিকেটার হিসেবে এই স্বীকৃতি পেলেন তিনি।

পুরস্কার জিতে ফারহান বলেন, বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে পারফরম্যান্সের জন্য এই পুরস্কার পাওয়া সত্যিই অসাধারণ অনুভূতি। সারা বিশ্বের দর্শকরা প্রতিটি মুহূর্ত দেখেন, তাই এটি আরও বিশেষ।

তিনি বলেন, এই টুর্নামেন্ট আমি সবসময় মনে রাখব। সামনে আরও ভালো করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। সতীর্থদের সমর্থন ছাড়া এটা সম্ভব হতো না।

এই টুর্নামেন্টে নামিবিয়া ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুটি সেঞ্চুরি করে নতুন ইতিহাস গড়েন ফারহান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে একাধিক সেঞ্চুরি করা প্রথম ব্যাটার তিনি। তার পারফরম্যান্সের ফলে আইসিসি টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং র‌্যাঙ্কিংয়ে ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে উঠে দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।

এছাড়া ফখর জামানের সঙ্গে ১৭৬ রানের জুটি গড়ে টি টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যেকোনো উইকেটে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও গড়েন ফারহান। তবে ব্যক্তিগত সাফল্যের পরও দল হিসেবে সফল হতে পারেনি পাকিস্তান। সমান পয়েন্ট থাকা সত্ত্বেও নেট রান রেটে পিছিয়ে থেকে সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি তারা। 

দারুণ এই পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে টুর্নামেন্টের সেরা একাদশেও জায়গা পেয়েছেন ২৯ বছর বয়সী এই ব্যাটার।

পড়ুন- অর্থনৈতিক উত্তরণে বিএনপির ইশতেহার বাস্তবায়ন শুরু: অর্থমন্ত্রী

দেখুন- ‘‘মিডিয়ার কারো সাথে আমার প্রেম হবে না”| কেয়া পায়েল

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন