বিজ্ঞাপন

আমরা জয় পেয়েছি, দ্রুত বিজয় এসেছে: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে বিজয় অর্জন করেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুদ্ধ এত দ্রুত শেষের দিকে চলে আসায় মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ কিছুটা ‘হতাশ’ হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “আমরা বিজয়ী হয়েছি। এ যুদ্ধে ইতোমধ্যে আমাদের জয় এসেছে। আমরা তাদের নৌবাহিনী ধ্বংস করেছি, বিমানবাহিনী ও অস্ত্রাগারে হামলা চালিয়েছি।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, The New York Times, ABC News ও CBS News-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ‘ভুয়া সংবাদ’ প্রচার করছে। তার ভাষ্য, “বাস্তবতা হলো— আমরা জয় পেয়েছি, এবং এত দ্রুত বিজয় আসায় পিট খানিকটা হতাশ হয়েছে।”

নিজ বক্তব্যে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানে কার্যত সরকার পরিবর্তন হয়েছে এবং বর্তমান নেতৃত্ব আগের তুলনায় ‘অনেকটাই ভিন্ন’। তিনি জানান, নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনার সংলাপে যুক্ত আছেন।

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। তবে কোনো সমঝোতা ছাড়াই তা শেষ হয়।

এর পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে পৃথক অভিযান চালায়।

এই হামলায় ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন দেশটির সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

এছাড়া ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংঘাতে এখন পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।

পড়ুন: যুদ্ধ শেষ করতে ইরানকে ১৫ দফা প্রস্তাব দিলো যুক্তরাষ্ট্র

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন