বিজ্ঞাপন

ঈদের আগে ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮৩ কোটি ডলার

ঈদের ছুটিতে কয়েকদিন ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও প্রবাসী বাংলাদেশিদের অর্থ পাঠানোর শক্তিশালী প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। চলতি মার্চ মাসের ২৩ দিনে প্রবাসীরা প্রায় ২৮৩ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭ দশমিক ৪০ শতাংশ বেশি। 
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী গত ১ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ২৮২ কোটি ৮০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৬৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার। এর আগে টানা তিন মাস ৩০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। চলতি মার্চেও নিশ্চিতভাবে তা-ই ঘটবে। 
দেশের ইতিহাসে কোনো একক মাসে সর্বোচ্চ ৩৩০ কোটি ডলার রেমিট্যান্সের রেকর্ড ছিল গত বছরের মার্চে। প্রবাসীরা গত জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি এবং ফেব্রুয়ারি মাসে ৩০২ কোটি ডলার ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে পাঠিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে সর্বশেষ হিসাব পর্যন্ত (২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ২৩ মার্চ) রেমিট্যান্স এসেছে দুই হাজার ৫২৮ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৯ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের একই সময়ে দুই হাজার ১১২ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছিল। 
ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে এমনিতেই বেশি রেমিট্যান্স আসে। ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের মধ্যে কেউ কেউ জমানো অর্থ পাঠিয়ে থাকতে পারেন। 
রেমিট্যান্সে উচ্চ প্রবৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বেড়েছে। 
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিট্যান্স বিষয়ক সর্বশেষ ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে প্রবাসী আয় কমে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বর্তমান প্রবৃদ্ধির ধারা ধরে রাখতে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং শ্রমবাজারের বৈচিত্র্যকরণ জরুরি।
বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, ইরান যুদ্ধের দ্রুত অবসান হলে প্রবাসী আয়ে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কা আছে, তা সীমিত হতে পারে। তবে কোনো কারণে এ সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে আঞ্চলিক সংকটে পুরো মধ্যপ্রাচ্য থেকে এ আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। তেমন হলে বাংলাদেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যের ওপর চাপ বাড়িয়ে দিতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে প্রবাসী আয়ের ৪৭ শতাংশ আসে। বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির সবচেয়ে বড় অঞ্চল মধ্যপ্রাচ্য। মধ্যপ্রাচ্যের সংকট বাংলাদেশের কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স আয়ের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।  

পড়ুন:৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আরও এক জাহাজ

দেখুন:এবার সমুদ্র তলদেশ থেকে ভেসে উঠছে ইরানের ভয়ংকর মি/সা/ই/ল সিটি?

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন