বিজ্ঞাপন

সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘ফুয়েল কার্ড’, মিলবে যেসব সুবিধা

দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে চলমান কারসাজি ও অস্থিরতা মোকাবিলায় এবার সব গাড়ির জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। আর এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কাজও শুরু করে দিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। 

বিভাগটির কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শিগগির শেষ না হলে বাংলাদেশের মতো দেশকে অনেক খেসারত দিতে হবে। এরই মধ্যে জ্বালানি তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে একদল অসাধু ব্যবসায়ী।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু নিজেও বলেছেন, দেশের পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। ইরান যুদ্ধের আগে যে পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হতো, এখনো একই পরিমাণ সরবরাহ করা হচ্ছে। আগে পাম্পগুলোতে সরবরাহ করা তেল বিক্রি হতে এক থেকে দেড় দিন সময় লাগত। তবে, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এখন সেই তেল দুই ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। তেলের সরবরাহ আগের মতোই থাকলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে।

তেলের এমন অপচয় এবং মজুত রোধে ফুয়েল কার্ড চালুর বিকল্প দেখছে না সরকার। সেই কার্ড দিয়ে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, ট্রাক ও বাসের মালিকরা তাদের পরিবহণের চাহিদা অনুযায়ী তেল সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে, এ জন্য থাকবে একটি কিউআর কোড। সেই কোড দিয়ে নির্দিষ্ট পাম্প থেকে তেল নেওয়া যাবে। তবে, এটি চালু করতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্র।

ফুয়েল কার্ড বা ফ্লিটকার্ড হলো- পেট্রোল, ডিজেল বা অন্যান্য জ্বালানি কেনার জন্য ব্যবহৃত একটি বিশেষ পেমেন্ট কার্ড, যা সাধারণত কোম্পানি বা গাড়ির মালিকরা ব্যবহার করবেন। এটি ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মতো কাজ করবে এবং এর মাধ্যমে জ্বালানি খরচ ট্র্যাকিং, নিয়ন্ত্রণ এবং নগদবিহীন লেনদেনের সুবিধা পাওয়া যাবে। 

ফুয়েল কার্ডের মূল বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা:

সহজ পেমেন্ট : এটি ব্যবহার করে চালকরা সহজেই ফিলিং স্টেশনে টাকা পরিশোধ করতে পারবেন এবং প্রতিটি লেনদেনের রেকর্ড রাখা সম্ভব হবে।

খরচ নিয়ন্ত্রণ : কোম্পানিগুলো এই কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করে দিতে পারবে। এটি ডিজিটালভাবে জ্বালানি ব্যবহারের বিস্তারিত রিপোর্ট প্রদান করবে।

নিরাপত্তা : কার্ডটি সাধারণত একটি নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের সঙ্গে যুক্ত থাকবে, যা চুরি বা অপব্যবহার রোধ করবে।

সময়ের সাশ্রয় : কাগজের রসিদ জমানোর ঝামেলা কমবে এবং এককালীন চালান পাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : জ্বালানি তেলে প্রতিদিন ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার


বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন