বিজ্ঞাপন

চুয়াডাঙ্গায় পরিত্যক্ত আ.লীগের কার্যালয় ‘অবমুক্ত’ ঘোষণা করে পতাকা উত্তোলন ও বিভিন্ন স্লোগান দিলো নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ

চুয়াডাঙ্গায় ৫ আগস্ট ২০২৪ এ জানালা দরজা ভেঙে আগুন দেওয়া জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয় ‘অবমুক্ত’ ঘোষণা করে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে পতাকা উত্তোলনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ভিডিওকে ঘিরে জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় জড়িতরা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কয়েকজন যুবক চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে এবং বিভিন্ন স্লোগান দেয়।

এ সময় তাদের হাতে একটি ব্যানার দেখা যায়, যাতে ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ লেখা ছিল।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমদাদুল হক স্বজলের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি পরিচালিত হয়। উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের মাথায় হেলমেট ছিল। হাতে বাঁশের লাঠিতে ছিলো পতাকা। এ সময় ইমদাদুল হক স্বজলকে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় ‘অবমুক্ত’ ঘোষণা দিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জেলা আওয়ামী লীগের ওই কার্যালয়টি পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। এর মধ্যে হঠাৎ করে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীদের এ ধরনের কর্মসূচি নতুন করে আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি পুলিশের নজরে এসেছে। ঘটনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। ভিডিওটি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পড়ুন- বিশ্বজুড়ে এলএনজি সংকট তীব্র, বাংলাদেশের অবস্থা কী?

দেখুন- চাঁদপুরে বন্ধ আধুনিক নৌ টার্মিনাল নির্মাণ কাজ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন