বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রে হামলার প্রস্তুতি নিতেই কি উত্তর কোরিয়ার নতুন পরীক্ষা?

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন উচ্চ-ক্ষমতার একটি রকেট ইঞ্জিনের স্থল পরীক্ষা তদারকি করেছেন বলে রোববার (২৯ মার্চ) রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, যা দেশটির অস্ত্র কর্মসূচির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উত্তর কোরিয়া তাদের সলিড ফুয়েল-চালিত রকেট ইঞ্জিন ব্যবহার করে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করছে।

এই ধরনের ইঞ্জিন দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে সহায়তা করে, কারণ এতে উৎক্ষেপণের আগে খুব কম প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়।

পিয়ংইয়ংয়ের সরকারি কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানিয়েছে, সবশেষ পরীক্ষাটি ছিল নতুন পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনার সময়কালের জাতীয় প্রতিরক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ। তবে পরীক্ষার তারিখ বা স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

গত বছরের সেপ্টেম্বরের পর এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সলিড ফুয়েলের ইঞ্জিন পরীক্ষা। সে সময় রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছিল, একটি ইঞ্জিন সর্বোচ্চ ১,৯৭১ কিলোনিউটন থ্রাস্ট উৎপন্ন করেছে।

কেসিএনএ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক পরীক্ষায় ২,৫০০ কিলোনিউটন পর্যন্ত বেশি থ্রাস্ট অর্জন করা হয়েছে।

কোরিয়া ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল ইউনিফিকেশনের বিশ্লেষক হং মিন বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, এই অগ্রগতি উত্তর কোরিয়ার ‘বিশ্বজুড়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র অর্জনের দৃঢ় সংকল্পই’ প্রমাণ করে।

তিনি আরও বলেন, সর্বোচ্চ থ্রাস্ট বৃদ্ধি পাওয়ায় এটি বিশ্বের যেকোনো স্থানে আঘাত হানার সক্ষমতাসম্পন্ন আইসিবিএম অর্জনের ইঙ্গিত দেয়, পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করার ক্ষমতাও নির্দেশ করে।

কেসিএনএ প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, কিম জং উন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি ইঞ্জিনের অংশবিশেষ পরিদর্শন করছেন। আরেকটি ছবিতে ভূমিতে স্থাপিত একটি ইঞ্জিন থেকে আগুনের শিখা বের হতে দেখা যায়, যা কমলা আলোয় পুরো পরীক্ষাস্থল আলোকিত করে।

কৌশলগত বাহিনী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ‘গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের এক নতুন পর্যায়ে’ প্রবেশ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন কিম।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ‘ওয়েলকাম টু হেল’: মার্কিন সেনাদের সতর্কবার্তা ইরানের

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন