সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে দেশে ফিরেছেন বিসিবি বস বুলবুল। প্রায় দেড় মাস দেশের বাইরে থাকার পর দেশে ফিরেই সাম্প্রতিক কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে কথা বলেছেন বিসিবি প্রধান।
গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ-এর সবশেষ আসরে সরাসরি সুযোগ পেয়েও অংশ নেয়নি বাংলাদেশ। দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এমন ঘটনা প্রথমবার ঘটায় বিষয়টি ঘিরে তৈরি হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল-এর সঙ্গে বিসিবির সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
এ বিষয়ে বুলবুল বলেন, আইসিসির সঙ্গে তৈরি হওয়া জটিলতা এখন পুরোপুরি কেটে গেছে। তার ভাষ্যমতে, মাঝখানে এমন অনেক কিছু ঘটেছে যা সবসময় গণমাধ্যমে আসে না। সে সময় সরকারের যে সিদ্ধান্ত ছিল, সেটি মানতে হয়েছে এবং বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্তও একইভাবে মানতে হবে, কারণ বিসিবি সরকার অধীনেই কাজ করে।
বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তকে তিনি সরাসরি ভুল বা সঠিক হিসেবে ব্যাখ্যা না করলেও ইঙ্গিত দেন, বিষয়টি সহজ ছিল না। তিনি বলেন, এ নিয়ে বেশি কিছু বলতে চান না, তবে শেষ পর্যন্ত তিনিও একজন ক্রিকেটার তাই শেষ অবধি তিনি চেষ্টা চালিয়েছিলেন।
বাংলাদেশের বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকেও তদন্ত শুরু হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গঠিত তদন্ত কমিটি খতিয়ে দেখছে, সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিসিবি কিংবা তৎকালীন সরকারের কোনো কূটনৈতিক বা প্রশাসনিক গাফিলতি ছিল কি না। বা কেন এমন তড়িঘড়ি স্বীদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো সে বিষয়ে।
তদন্ত কমিটি প্রসঙ্গে বুলবুল জানান, তিনি বিষয়টি প্রথমে মিডিয়ার মাধ্যমেই জেনেছেন। তবে সরকারের অনুসন্ধানের অধিকার রয়েছে এবং বিসিবি সে প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে। তার মতে, জাতীয় দলের স্কোয়াড, প্রস্তুতি এবং অংশগ্রহণ সংক্রান্ত পরিকল্পনা আগেই নির্ধারিত ছিল। কোথায় খেলা হবে, কীভাবে দল যাবে—সবই প্রস্তুত ছিল; কিন্তু শেষ পর্যন্ত সরকারের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাতেই হয়েছে।
বুলবুল আরও উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাই দল চূড়ান্ত করেছিলেন এবং ক্রিকেট বোর্ড প্রস্তুত ছিল, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রশাসনিক পর্যায় থেকেই এসেছে। এখন অপেক্ষা মূল তদন্ত রিপোর্টের।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

