বিজ্ঞাপন

কিশোরগঞ্জে লতিবাবাদ ইউনিয়ন যুবদল আহবায়ক বাবুলের ওপর সন্ত্রাসী হামলা

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিবাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক বাবুলের ওপর বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। ৩১ মার্চ (মঙ্গলবার) এই অতর্কিত হামলার শিকার হন তিনি। বর্তমানে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত যুবদল নেতা বাবুল জানান, ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শহীদের প্রত্যক্ষ নির্দেশে এবং তার অনুসারী একদল সন্ত্রাসী এই হামলা চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘ দিন ধরে পাসপোর্ট অফিস কেন্দ্রিক একটি সিন্ডিকেট সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম ও চাঁদাবাজি চালিয়ে আসছে। সম্প্রতি তার দোকান থেকে ৬ হাজার টাকা চাঁদা দাবি ও লুটপাটের ঘটনায় তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এরই জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসীরা তাকে একা পেয়ে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।

এই ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। লতিবাবাদ ইউনিয়ন ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা যুবদলের পক্ষ থেকে এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় বাবুলের ওপর এই কাপুরুষোচিত হামলা চালানো হয়েছে।

হামলার ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের গ্রেফতার করা না হয়, তবে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বাবুলের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তার সুস্থ হতে বেশ সময় লাগবে। এই ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সৈয়দ শাহ আলম বলেন আজ সকাল ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে লতিবাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি বাবুল তার রেস্টুরেন্ট থেকে বের হওয়ার সময় একদল সন্ত্রাসী তাকে ‘ফিল্মি স্টাইলে’ তুলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে তার একটি হাত এবং একটি পা ভেঙে দেওয়া হয়।

শাহ আলম আরো বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল এবং সদর থানার ওসির সাথে যোগাযোগ করেছি। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা প্রশাসনের ওপর আস্থা রাখতে চাই। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি বাবুলের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করা না হয়, তবে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা যুবদল আলোচনার মাধ্যমে পরবর্তী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আবুল কালাম ভূঁইয়া জানান, “যুবদল নেতার ওপর হামলার ঘটনায় আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং বর্তমানে তা আইনগত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন, ধর্ষণচেষ্টায় যুবকের ৭ বছর কারাদণ্ড

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন