কিশোরগঞ্জ জেলা ওউপজেলায় মোটরসাইকেল চালকদের জন্য ‘বিশেষ জ্বালানি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) আবেদন জমা দেওয়া শুরু হওয়ার পর থেকে জেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কার্যালয়গুলোতে ভিড় করে আবেদন জমা দিচ্ছেন চালকেরা।
শনিবার (৪ এপ্রিল) পর্যন্ত জ্বালানি কার্ডের আবেদন জমা দেওয়া ও সংগ্রহ করা যাবে। আগামী রবিবার (৫ এপ্রিল) থেকে এই কার্ড ছাড়া জ্বালানি তেল পাওয়া যাবে না।
দীর্ঘদিনের ভোগান্তি শেষে হাতের নাগালে এই কার্ড পেয়ে সাধারণ বাইকারদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।
সম্প্রতি বিতরণকৃত এই কার্ডে চালকের নাম, পেশা, এনআইডি নম্বর এবং যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি মূলত জ্বালানি তেল (পেট্রোল/অকটেন) গ্রহণের একটি হিসাবপত্র হিসেবে কাজ করবে। কার্ডের পেছনে জ্বালানি সংগ্রহের সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলীও উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন মোটরসাইকেল আরোহী জানান, আগে তেল সংগ্রহ করতে গিয়ে নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হতো। এখন এই কার্ডের মাধ্যমে ৫, ১০ বা ১৫ লিটার পর্যন্ত তেল নেওয়ার নিয়ম করে দেওয়ায় লাইনে দাঁড়ানোর ভোগান্তি কমবে এবং কালোবাজারি রোধ হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাইকার বলেন, “কার্ডটি হাতে পেয়ে আমরা অনেক খুশি। এখন কার্ড দেখিয়ে সহজেই তেল নিতে পারবো।
জ্বালানি কার্ড যাচাই-বাছাই কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে:
কিশোরগঞ্জ জেলাধীন যেকোনো ফুয়েল স্টেশন থেকে তেল নিতে এই কার্ড প্রদর্শন বাধ্যতামূলক।
মোটরসাইকেলে তেল নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনোভাবেই বোতল বা ড্রাম ব্যবহার করা যাবে না।
কার্ডটি হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং এর অপব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কমিটির এই উদ্যোগের ফলে জ্বালানি তেলের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত হবে এবং গ্রাহক সেবার মান বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
পড়ুন : কিশোরগঞ্জে লতিবাবাদ ইউনিয়ন যুবদল আহবায়ক বাবুলের ওপর সন্ত্রাসী হামলা


