বিজ্ঞাপন

মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯.৭ ডিগ্রি চুয়াডাঙ্গায়

টানা তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গার মানুষ। অসহ্য গরমে ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছে মানুষের প্রাণ। চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ।

বিজ্ঞাপন

গত তিন দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

৩১ মার্চ জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫৪ শতাংশ।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল থেকে একই ধরনের তাপমাত্রা বিরাজ করছে। বেলা ১২ টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এসময় বাতাসের আদ্রতা ৩৯ শতাংশ। দুপুর ৩ টায় চুয়াডাঙ্গার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩১ শতাংশ।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তপ্ত হতে শুরু করে চুয়াডাঙ্গার জনপদ। প্রখর তাপ আর ভ্যাপসা গরমে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। জীবিকার তাগিদে রোদে পুড়ে কাজ করতে হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষকে। রোদের তীব্র প্রখরতায় প্রচণ্ড গরম অনুভূত হচ্ছে। গরমে ঘরে-বাইরে কোথাও মিলছে না স্বস্তি। অসহনীয় তাপপ্রবাহের মধ্যে খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ।

জেলা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক জামিনুর রহমান জানান, এপ্রিলের প্রথম দিন থেকেই চুয়াডাঙ্গায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। ওই দিন বুধবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরদিন বৃহস্পতিবার থেকে জেলার উপর দিয়ে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
আজ শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গায় চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পারদ উঠেছে ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

তিনি আরো জানান, এই ধরনের তাপমাত্রা আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

পড়ুন- রাজধানীতে বেড়েছে সবজির দর, মুরগির দামও চড়া

দেখুন- হরমুজ প্রণালী খোলার পরও বিশ্বের তেলবাজারে অস্থিরতা থাকবে?

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন