শেখ হাসিনার পতনের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রতিক্ষায় বিএনপি নেতাকর্মীরা। তবে কবে ফিরবেন তিনি এ নিয়েও সৃষ্টি হয়েছে ধোয়াঁশা। দলটির নীতিনির্ধারকরাও সুনির্দিষ্ট কিছু বলতে পারছেন না। তবে আইনি জটিলতার কথা বলছেন তার আইনজীবীরা।
২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায় সরকারের আমলে গ্রপ্তার হন তারেক রহমান। পরের বছর প্যারোলে মুক্তি পেয়েই যুক্তরাজ্যে যান তিনি। তখন থেকেই লন্ডনে তিনি নির্বাসিত।
তৎকালীন তত্বাবধায়ক সরকার ও পরবর্তীতে আওয়ামী সরকার তার বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিকের বেশী মামলা দেয়। বিএনপির অভিযোগ এসবই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মামলা।
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বিএনপির নেতাকর্মীদের আশা ছিল দ্রুত দেশে ফিরবেন তারেক রহমান। তবে অন্তর্বতী সরকারের আড়াই মাসে সে অপেক্ষা বেড়েছেই। কবে ফিরবেন তারেক রহমান – তা নিয়েও সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।
দলটির পক্ষ থেকেও নিশ্চিতভাবে কিছু বলা হচ্ছে না। তবে নীতি নির্ধারকরা নাগরিক টিভিকে বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরায় প্রতিবন্ধকতা আইনি জটিলতা।
তারেক রহমানের আইনজীবিরা বলছেন, ওয়ান ইলেভেন থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশে তার বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা আছে। এসব মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পযর্ন্ত তার দেশে ফেরা সম্ভব না।
তারেক রহমানের দেশে ফেরানোর বিষয়টি রাজনৈতিক ও আইনগত পরিবেশের উপর নির্ভর করছে বলে মনে করেন বিএনপির নেতার ও তার আইনজীবিরা। তাই কবে তিনি ফিরবেন সে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।


