নেত্রকোনা জেলা শহরের কুরপাড় এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় জিরা ও ফুচকাসহ চোরাচালান চক্রের দুজন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ । এ সময় চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যানও জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত দুজন হলেন- মৃত আবুল হাসানের ছেলে রিপন মিয়া (২৫) ময়মনসিংহের নান্দাইল থানাধীন মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের তীতখলা (কারীবাড়ী) গ্রামের। বর্তমানে তিনি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানাধীন চন্ডিপাশা ইউনিয়নের কুদালিয়া চৌরাস্তা বাঘেরবাড়ি এলাকায় বসবাস করেন। আরেকজন নেত্রকোনা সদর উপজেলার পশ্চিম মেদনী এলাকার মো. লিয়াকত আলীর ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (৩৫)।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি (পূর্ব) মো. তরিকুল ইসলাম এ অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এরআগে এদিন, ভোরে নেত্রকোনা মডেল থানাধীন কুরপাড় এলাকা থেকে চোরাই পথে আনা এসব মালামাল উদ্ধার করা হয়।
তিনি জানান, নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ (সোমবার) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ডিবি পুলিশের এসআই (নিঃ) মো. আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল কুরপাড় এলাকায় অবস্থান নেয়। অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজন একটি পিকআপ তল্লাশি করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা এক হাজার ৭৬০ কেজি ভারতীয় তৈরি ফুচকা এবং ৭৮০ কেজি ভারতীয় জিরা উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, অবৈধ মালামাল পরিবহনের দায়ে ঘটনাস্থল থেকে ব্যবহৃত পিকআপটিও জব্দ করা হয়েছে। ভারতীয় পণ্যসহ জব্দকৃত আলামতের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৯ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা।
নেত্রকোনা ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটককৃত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারতীয় পণ্য দেশের অভ্যন্তরে এনে ব্যবসা করে আসছিল। এ ঘটনার বিষয়ে ডিবি পুলিশের এসআই (নিঃ) মো. আব্দুল জলিল বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের আদালতে প্রেরণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
পড়ুন:সায়দাবাদে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
দেখুন:একবারও আইভীর নাম মুখে নিলেন না শামীম ওসমান
ইমি/


