বিজ্ঞাপন

ভৈরবে তুচ্ছ বিরোধে রণক্ষেত্র, সড়ক অবরোধ করে সংঘর্ষে আহত ৩০

কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌর শহরের চন্ডিবের এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সড়ক অবরোধ করে ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং এ ঘটনায় ৬ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বিজ্ঞাপন


মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের চন্ডিবের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাতে একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা ধীরে ধীরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। রাতেই স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হলেও পরদিন সকালে একই ঘটনার জের ধরে ফের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।


সকালে এক পক্ষের একজন ব্যবসায়ী তার কর্মস্থলে যাওয়ার পথে প্রতিপক্ষের লোকজনের বাধার মুখে পড়েন। এ সময় তাকে মারধর ও সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এর জের ধরেই উভয় পক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে সড়ক অবরোধ করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত এক ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে।


ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফয়জুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় সংঘর্ষে জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে আটক করা হয়।


ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকন্দ জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
এদিকে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শাহারিয়ার বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় প্রায় ৩০ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

পড়ুন- হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১১ জনের মৃত্যু

দেখুন- সড়ক পরিবহনের নোটিশ দিয়ে কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রশ্ন, যা বললেন স্পিকার 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন