জেলা শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়ার নেতৃত্বে সন্ধ্যা পরবর্তী বিশেষ নিরাপত্তা টহল জোরদার করা হয়েছে।
বুধবার ৮ এপ্রিল শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে এ অভিযান চালিয়ে মাদকসহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে বলে জানিয়েছেন ওসি।
জেলা শহরে কিশোর গ্যাংয়ের ক্রমবর্ধমান উৎপাত ও আড্ডাবাজি বন্ধে কঠোর নজরদারি শুরু করেছে পুলিশ। জনমনে স্বস্তি ফেরাতে এবং উঠতি বয়সের কিশোরদের অপরাধ থেকে দূরে রাখতে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়ার নেতৃত্বে নিয়মিত সন্ধ্যা পরবর্তী বিশেষ টহল ও তল্লাশি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে শহরের বিভিন্ন মোড়, অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে কিশোরদের অযথা আড্ডা ও সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। বিষয়টি আমলে নিয়ে ওসি আবুল কালাম ভূঁইয়া নিজে ফোর্স নিয়ে মাঠে নেমেছেন। সন্ধ্যার পর শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে তল্লাশি চৌকি বসানোর পাশাপাশি বিশেষ টহল দল কাজ করছে।
অভিযান চলাকালে অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া বলেন:
কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানো কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। সন্ধ্যার পর স্কুল-কলেজ পড়ুয়া কোনো শিক্ষার্থীকে অকারণে বাইরে আড্ডা দিতে দেখা গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা চাই কিশোরগঞ্জ শহর হবে নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত।
পুলিশের পক্ষ থেকে অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে, যেন তারা তাদের সন্তানদের গতিবিধির ওপর নজর রাখেন। কোনো কিশোর যেন অসৎ সঙ্গে জড়িয়ে মাদকের দিকে ধাবিত না হয় বা এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি না করতে পারে, সে বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান ওসি।
পুলিশের এই কঠোর অবস্থানের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সন্ধ্যার পর মোড়ে মোড়ে বখাটেদের আড্ডা কমেছে। পুলিশের এই ধারাবাহিক তৎপরতা কিশোর গ্যাং কালচার নির্মূলে বড় ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করছেন।
মডেল থানা সূত্রে জানানো হয়েছে, শহরের প্রতিটি অলিগলিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই বিশেষ অভিযান ও টহল নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
পড়ুন: বসতঘরের পাশে মাদকের আসর: নেত্রকোনায় ৩ জনের অর্থদণ্ডসহ সাজা
আর/


