রাজধানীর শ্যামলীর সিকেডি হাসপাতালে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনকে আসামি করে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) মামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির শেরে বাংলা নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম।
মামলার এজাহারে যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় দেয়া মঈন উদ্দিনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ, ছাড়া আসামি করা হয়েছে আরও অজ্ঞাত ৬ থেকে ৭ জনকে। মামলার বাদী হাসাপাতালের সিকিউরিটি ইনচার্জ হানিফ মিয়া। শনিবার দিবাগত রাতে মামলাটি দায়ের হয়।
এর আগে শনিবার সিকেডি হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই মঈন উদ্দিন হাসপাতালের মালামাল সরবরাহে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি সরবরাহ কার্যক্রম নিজের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাপ সৃষ্টি করেন এবং হাসপাতালের স্বাভাবিক কাজে বাধা প্রদান করেন।
তার অজ্ঞাতসারে বাজারদরের চেয়ে বেশি দামে ডিম ও চালসহ বিভিন্ন পণ্য সরবরাহ করা হতো। পরে বিষয়টি নজরে এলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সরাসরি বাজার থেকে পণ্য কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপরই তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সরবরাহ কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়ার পর মঈন উদ্দিন ১০ এপ্রিল সকালে হাসপাতালে এসে মব তৈরির চেষ্টা করেন এবং কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। এর আগে গত ২৯ মার্চও তিনি কর্মচারীদের হুমকি দেন। এ ঘটনায় পরদিনই শেরেবাংলা নগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২২৬৬) করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, গত ১৭ বছরে এই হাসপাতাল দুই হাজারের বেশি কিডনি প্রতিস্থাপন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। রোগীদের জন্য স্বল্প খরচে চিকিৎসাসেবা এবং প্রতিদিন তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থাও রয়েছে।
এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, প্রশাসন, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান অধ্যাপক কামরুল।
মামলার এজাহারে যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় দেয়া মঈন উদ্দিনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ, ছাড়া আসামি করা হয়েছে আরও অজ্ঞাত ৬ থেকে ৭ জনকে। মামলার বাদী হাসাপাতালের সিকিউরিটি ইনচার্জ হানিফ মিয়া। শনিবার দিবাগত রাতে মামলাটি দায়ের হয়।
এর আগে শনিবার সিকেডি হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই মঈন উদ্দিন হাসপাতালের মালামাল সরবরাহে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি সরবরাহ কার্যক্রম নিজের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাপ সৃষ্টি করেন এবং হাসপাতালের স্বাভাবিক কাজে বাধা প্রদান করেন।
তার অজ্ঞাতসারে বাজারদরের চেয়ে বেশি দামে ডিম ও চালসহ বিভিন্ন পণ্য সরবরাহ করা হতো। পরে বিষয়টি নজরে এলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সরাসরি বাজার থেকে পণ্য কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপরই তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সরবরাহ কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়ার পর মঈন উদ্দিন ১০ এপ্রিল সকালে হাসপাতালে এসে মব তৈরির চেষ্টা করেন এবং কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। এর আগে গত ২৯ মার্চও তিনি কর্মচারীদের হুমকি দেন। এ ঘটনায় পরদিনই শেরেবাংলা নগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২২৬৬) করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, গত ১৭ বছরে এই হাসপাতাল দুই হাজারের বেশি কিডনি প্রতিস্থাপন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। রোগীদের জন্য স্বল্প খরচে চিকিৎসাসেবা এবং প্রতিদিন তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থাও রয়েছে।
এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, প্রশাসন, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান অধ্যাপক কামরুল।


