পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানকে চাপে রাখতে হরমুজ প্রণালি অবরোধের পথ বেছে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রোববার (১২ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমে অবরোধের ঘোষণা দেন। পরে ইরানের সব বন্দরে অবরোধ জারির কথাও জানায় মার্কিন সামরিক বাহিনী।
তবে এই অবরোধে যুক্তরাজ্য সরাসরি অংশ নেবে না বলে জানিয়েছে বিবিসি, বিশ্বস্ত সূত্রের বরাতে। যদিও দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে তাদের মাইনসুইপার জাহাজ ও ড্রোন প্রতিরোধ সক্ষমতা দিয়ে আগের মতোই কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।
যুক্তরাজ্য সরকারের এক মুখপাত্র বলেন, “আমরা নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা এবং হরমুজ প্রণালিতে অবাধ চলাচল বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
এদিকে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি অবরোধে অন্যান্য দেশও যুক্ত হবে, যদিও তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি।
তিনি আরও বলেন, ন্যাটো প্রণালিটি ‘পরিষ্কার’ করতে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যেই এটি আবার ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এ লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র মাইনসুইপার মোতায়েন করবে। ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যুক্তরাজ্যও একই ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
পড়ুন: আন্তর্জাতিক বাজারে ফের বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম
আর/


