বিজ্ঞাপন

কারামুক্ত বাউল শিল্পী আবুল সরকার

ধর্ম অবমাননা ও কটূক্তির অভিযোগের মামলায় গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বাউলশিল্পী আবুল সরকার।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১১ টা ২০ মিনিটে তিনি রিকশায় চড়ে মূল ফটকে আসেন। পরে সাদা রংয়ের একটি হাইচ গাড়ীতে করে কারাগারের মূল ফটক দিয়ে বের হয়ে যান। এসময় তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তিনি অসুস্থ থাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কোন কথা বলেননি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ এর সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুন। তিনি বলেন, জামিনের কাগজ পত্র কারাগারে এসে পৌছালে তা যাচাই বাছাই শেষে আর কোন মামলা না থাকায় তাকে আজ সকাল ১১ টা ২০ মিঃ দিকে মুক্তি দেওয়া হয়।

আবুল সরকার মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার চর তিল্লী গ্রামের মৃত আমজাদ আলীর ছেলে।

এর আগে গেল ৫ এপ্রিল ধর্ম অবমাননা ও কটূক্তির অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা বাউলশিল্পী আবুল সরকার জামিন চেয়ে আবেদন করলে বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ৬ মাসের অন্তবর্তীকালীন এ জামিন দেন।

উল্লেখ্য গত বছর ৪ নভেম্বর মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জাবরা এলাকায় খালা পাগলীর মেলায় পালাগানের আসরে বাউলশিল্পী আবুল সরকার ধর্ম অবমাননা করে মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ ওঠে। তার মন্তব্যের ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা শুরু হয়। এরপর ১৯ নভেম্বর রাতে মাদারীপুরে একটি গানের আসর থেকে তাকে আটক করে মানিকগঞ্জ ডিবি পুলিশের একটি দল। পরদিন সকালে তাকে মানিকগঞ্জ জেলা ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়।

পরে ওইদিন দুপুরে ঘিওর উপজেলার মুফতি মো. আবদুল্লাহ নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে আবুল সরকারকে আসামি করে ঘিওর থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে মানিকগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে এ মামলায় তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত ছয় মাসের অন্তবর্তীকালীন জামিন দেয়।

পড়ুন: বাংলাদেশিদের জন্য শিগগিরই চিকিৎসা ও বিজনেস ভিসা চালু করবে ভারত

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন