বিজ্ঞাপন

পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন

নারায়ণগঞ্জের বন্দরের কলাবাগ এলাকায় দুই এতিম ও এক শারীরিক প্রতিবন্ধীর পৈত্রিক সম্পত্তি দীর্ঘ সাড়ে তিন দশক ধরে জবরদখলের অভিযোগে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন এলাকাবাসী। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সাবেক জামায়াত নেতা ও ইতালি প্রবাসী ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম এবং তার ভাই বোরহান।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১৩ এপ্রিল) বেলা ১১টায় কলাবাগ এলাকায় জমি উদ্ধারের দাবিতে স্থানীয়দের অংশগ্রহণে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন্দর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের কলাবাগ এলাকায় প্রায় ১২ শতাংশ পৈত্রিক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রায় ৩৫ বছর আগে মৃত সালাউদ্দিন সরদার বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই জোরপূর্বক জমিটি দখল করেন। তার মৃত্যুর পর বড় ছেলে নুরুল ইসলাম ওই জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ করে দখল বজায় রাখেন।

অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে প্রবাসে অবস্থান করলেও নুরুল ইসলাম তার ভাই বোরহানের মাধ্যমে জমিটির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন। ভুক্তভোগী পরিবারকে এলাকা ছাড়তে চাপ প্রয়োগ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগী সাইদুর রহমান ও বাবলু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তাদের পৈত্রিক ভিটা দখলে রয়েছে। প্রভাবশালীদের ভয়ে এতদিন তারা মুখ খুলতে পারেননি এবং এখনও নিজেদের বাড়িতেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

প্রতিবন্ধী হালিমের বোন মনোয়ারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র তাদের সম্পত্তি ভোগ করছে। এ পরিস্থিতির কারণে তাদের পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে।

মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বন্দর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজন মাসুদ রানা বলেন, এলাকাবাসী জমির প্রকৃত মালিক সম্পর্কে অবগত এবং একাধিক সালিশ-বৈঠক হলেও অভিযুক্তরা কোনো সিদ্ধান্ত মানেননি।

এলাকার প্রবীণদের দাবি, ভুক্তভোগী পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছে।

মানববন্ধন শেষে ভুক্তভোগী পরিবার বর্তমান সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি দ্রুত তদন্ত করে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ এবং পৈত্রিক সম্পত্তি বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।

পড়ুন: বাংলাদেশিদের জন্য শিগগিরই চিকিৎসা ও বিজনেস ভিসা চালু করবে ভারত

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন