বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন পাইলট প্রকল্প হিসেবে কৃষক কার্ড প্রদান করবে সরকার। এ প্রকল্পের আওতায় প্রথম ধাপে মৌলভীবাজারের জুড়ি উপজেলার ফুলতলার কৃষকরাও পাচ্ছেন কৃষক কার্ড। এতে খুশি প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকরা, তবে জেলার ভূমিহীন অন্য কৃষকরাও আবেদন জানাচ্ছেন এই কৃষি কার্ডের।
আগামীকাল (১৪ এপ্রিল) সকালে পহেলা বৈশাখের দিন সরকার দেশের আট বিভাগের ১০ জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি বøকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে প্রথম ধাপে কৃষক কার্ড প্রদান করবে। এরই অংশ হিসেবে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলায় ফুলতলা বøকের ৮২১ জন কৃষকরা পাচ্ছেন এই কৃষক কার্ড। সকালে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের বশির উল্লাহ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষকদের মাঝে এই কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট কৃষকদের বাছাই, ব্যাংক হিসাব খোলাসহ সব প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।
পাইলটিং পর্যায়ে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি দুই হাজার পাঁচশত টাকা হারে বার্ষিক নগদ সুবিধাসহ কৃষকরা প্রণোদনা, সার, বীজ, মৎস্য, প্রাণী, খাদ্যসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ ক্রয় করতে সুবিধা পাবেন। কৃষকদের নিয়ে সরকারের এই নানা উদ্যোগে অনেক খুশি মৌলভীবাজারের প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক-কৃষাণীরা। তাঁরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলছেন, কৃষক ও কৃষি বাঁচলেই দেশ এগিয়ে যাবে, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে তাই পর্যায়ক্রমে জেলার সকল কৃষককে এই কৃষিকার্ডের আওতায় নিয়ে আসার আবেদন জানান তাঁরা।
এদিকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন প্রথম ধাপেই মৌলভীবাজারের জুড়ীর ফুলতলার কৃষকদের এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, বিএনপি যা বলে তা করে দেখায়, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, আর অনেক চমক আসবে।
জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে কৃষকদের হাতে এই কার্ড পৌছে দেয়া হবে, সার্বিক প্রস্তুতি শেষ হয়েছে, এ কর্মসূচির মাধ্যমে মৌলভীবাজারে সরকারি কৃষক কার্ডের আওতায় আসছেন ভূমিহীন ৩৮৯, প্রান্তিক ২০২, ক্ষুদ্র ১৯৯, মাঝারি ২৫ এবং বড় কৃষক ৬ জন এই পাঁচ শ্রেণীর কৃষকরা।
পড়ুন:নববর্ষে মেট্রোরেল চলাচল নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
দেখুন:৫৫ বছর আগে বাংলাদেশে আসা বীর বাহাদুর অবশেষে ফিরে গেলেন
ইমি/


