টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে যুবদল নেতা হত্যার ঘটনার এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো রহস্যের জট খোলেনি। হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এতে হতাশা ও উদ্বেগ বাড়ছে পরিবার ও স্থানীয়দের মাঝে গত মাসের এই দিনে মির্জাপুর উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের ৪ নং ওর্য়াডের ঘাগড়াই এলাকার দুলাল খানের ছেলে ইউসুফ খান(৩২) নিখোঁজ হয়।নিখোঁজে সন্ধান চেয়ে ইউসুফ খানের বোন পান্না খান বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।পুলিশ অভিযোগের ধারাবাহিকতায় তদন্ত নেমে ঘাগড়াই এলাকার আলমগীর ছেলে রিজন ও সৌদি প্রবাসী হানিফ-কে আটক করে।তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে স্বীকারোক্তি দেয় আলমাস এর ইট ভাটার মাটির স্তুপের নিচে পুঁতে রাখা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।এ ঘটনার পরপরই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং দ্রুত বিচার ও বাকী দোষীদের গ্রেফতারের দাবি ওঠে।
ঘটনার এক মাস পার হলেও এখনো মামলার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই বলে অভিযোগ নিহতের পরিবারের। তাদের দাবি, তদন্ত ধীরগতির হওয়ায় প্রকৃত অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।এক মাস হয়ে গেল, এখনো আমরা জানি না কেন আমার ছেলেকে হত্যা করা হলো। আমরা বিচার চাই, দ্রুত অপরাধীদের গ্রেফতার করতে হবে।
অন্যদিকে স্থানীয়রা বলছেন, এ ধরনের ঘটনা এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। দ্রুত রহস্য উদঘাটন না হলে অপরাধ প্রবণতা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা তাদের।
পড়ুন : সোনারগাঁয়ে সরকারি চাকুরিজীবীর উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন


