বিজ্ঞাপন

এসএসসি পরীক্ষায় মানতে হবে যেসব নিয়ম

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা পরিচালনার জন্য বিস্তারিত নীতিমালা প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বোর্ড কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার্থীদের জন্য বেশ কিছু কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। নীতিমালায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম লঙ্ঘন করলে পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিলসহ বহিষ্কারের মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী যেসব কারণে একজন পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে:

১. পরীক্ষা কক্ষে এদিক-ওদিক তাকানো, একে অন্যের সঙ্গে কথা বলা বা কথা বলে লিখা।

২. কেন্দ্র কর্তৃক সরবরাহকৃত প্রশ্নপত্র, উত্তরপত্র ইত্যাদি ছাড়া অন্য কোনো প্রকার লিখিত বা মুদ্রিত যে কোনো প্রকার দূষণীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখা বা তা দেখে নকল করা।

৩. ডেস্কে/বেঞ্চে, হাতে, কাপড় বা অন্য কোথাও পেছনের অথবা পার্শ্বের অথবা সামনে দেয়ালে অথবা স্কেলে কিছু লেখা থাকা (পরীক্ষা কক্ষে পরীক্ষার্থীর আসনে কিংবা সামনে/পেছনে/পাশের দেয়ালে অথবা স্কেলে কোনো কিছু লিখে রাখলে।

৪. লিথোকোড পরিবর্তন করা।

৫. অন্যের লিখা উত্তরপত্র দেখে নকল করা এবং ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ উত্তরপত্র দেখাচ্ছে এমন প্রমাণিত হলে।

৬. পরীক্ষা কক্ষে যে কোনো ধরনের অপরাধ করতে সাহায্য করা।

৭. মোবাইলে বা যে কোনো ধরনের ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে থাকলে বা SMS/MMS-এর মাধ্যমে পরীক্ষার বিষয় সম্পর্কিত কোনো কিছু লেখা থাকলে কিংবা ওইসব ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসে প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ কোনো তথ্য সংরক্ষিত থাকলে।

৮. উত্তরপত্রে প্রশ্নপত্রের সম্পর্ক বিবর্জিত আপত্তিকর কিছু লিখা অথবা অযৌক্তিক মন্তব্য বা অনুরোধ করা।

৯. পরীক্ষা কক্ষে বাধাবিঘ্ন সৃষ্টি করা বা গোলযোগ করা।

১০. দূষণীয় কাগজপত্র কক্ষ পর্যবেক্ষককে না দিয়ে তা নাগালের বাইরে ফেলে দেয়া বা গিলে খাওয়া।

১১. একই উত্তরপত্রে দুই রকম/দুই ব্যক্তির হাতের লেখা থাকা।

১২. প্রশ্নপত্র বা সাদা উত্তরপত্র বাইরে পাচার করা।

১৩. কক্ষ পর্যবেক্ষক বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারীকে গালাগালি বা ভীতি প্রদর্শন করা।

১৪. কক্ষ পর্যবেক্ষকের নিকট উত্তরপত্র দাখিল না করে পরীক্ষা কক্ষ ত্যাগ করা।

১৫. রোল নম্বর পরিবর্তন করা, পরস্পর উত্তরপত্র বিনিময় করা অথবা অন্যায়ভাবে হস্তক্ষেপ করা।

১৬. কেন্দ্র কর্তৃক সরবরাহকৃত মূল উত্তরপত্রের পাতা পরিবর্তন করা।

১৭. পরীক্ষা কক্ষে, কেন্দ্রের প্রাঙ্গণে বা কেন্দ্রের বাইরে কোনো কক্ষ পর্যবেক্ষকের বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারীকে আক্রমণ করা বা আক্রমণের চেষ্টা করা, অস্ত্র প্রদর্শন করা।

১৮. পরীক্ষার্থী কর্তৃক পরীক্ষা ভবনের বাইরে অন্যের দ্বারা লিখিত উত্তরপত্র বা লিখিত অতিরিক্ত উত্তরপত্র দাখিল করা।

১৯. পরীক্ষার্থী নিজের পরীক্ষা দিতে অন্য ব্যক্তিকে নিযুক্ত করা।

২০. নিয়ম বহির্ভূতভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা।

শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, কেন্দ্র সচিবরা বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের তালিকা ও অপরাধের ধরন বোর্ডকে জানাবেন এবং শৃঙ্খলা কমিটি সেই অনুযায়ী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। পরীক্ষার্থীদের এই সব অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পরীক্ষার শুরু থেকেই বোর্ডের সকল নিয়ম যথাযথভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন