বিজ্ঞাপন

গাজীপুরে নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া দুই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার

গাজীপুরের শ্রীপুরে শীতলক্ষ্যায় গোসলে নেমে পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের ৫ ঘণ্টা পর তাদের লাশ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলের দিকে উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়নের খোঁজেখানী গ্রামের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। এরআগে, দুপুরের দিকে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে ওই নদীতে গোশল করতে যায় ওই দুই শিক্ষার্থী।

নিহতেরা হলো, উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়নের খোঁজেখানী গ্রামের মিলন মিয়ার মেয়ে ও স্থানীয় খোঁজেখানী বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী মারজিয়া আক্তার মিম (১৫) ও একই এলাকার শ্যামল মোড়লের মেয়ে স্থানীয় খোঁজেখানী বালিকা মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী সুবর্ণা আক্তার (১৫)।

শ্রীপুর মডেল থানার ওসি তদন্ত সঞ্জয় সাহা ও মাওনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা খোরশেদ আলম মরদেহ গুলো উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মাওনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা খোরশেদ আলম জানান, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে গোসিংগার শীতলক্ষ্যা নদীতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে গোসল করতে নামে সুবর্ণা আক্তার ও মার্জিয়া আক্তার। এক সময় আকস্মিক ভাবে দুজনেই পানিতে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়। তারা কেউ সাঁতার জানত না। পরে স্বজনদের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাদেরকে উদ্ধার করতে নদীতে তল্লাশি চালায়। একপর্যায়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে তাদের উদ্ধারে যায় মাওনা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। একই সাথে ঢাকার সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দলকে খবর দেওয়া হয়। টঙ্গি থেকে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে অন্য একজনের লাশ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল।

পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়া হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন শ্রীপুর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সঞ্জয় সাহা।

পড়ুন- টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অপহরণ চক্রের পুরুষ সদস্য-৪ জন ও নারী সদস্য-১ জন আটক

দেখুন- মে মাস পর্যন্ত জ্বালানী সরবরাহের পূর্ণ সক্ষমতা রয়েছে: জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন