বিজ্ঞাপন

কুড়িগ্রামে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ১০টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, গ্রেফতার ৯

কুড়িগ্রামে মোটরসাইকেল চোরচক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে ৯ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ১০টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক মাসে কুড়িগ্রাম সদর থানার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা—কোর্ট চত্বর, সদর হাসপাতাল এলাকা, নিউরোন ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও জিয়া বাজার সংলগ্ন স্থান থেকে ধারাবাহিকভাবে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটে। ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত এসব এলাকায় অন্তত ৬৪টি মোটরসাইকেল চুরি হয়।

‎এরই প্রেক্ষিতে একটি মামলার সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চোরচক্রের সদস্যদের শনাক্ত করা হয়। পরে গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লালমনিরহাট, উলিপুর, নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের বাকি সদস্যদেরও আটক করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃতরা হলেন—বাবু মিয়া ওরফে শাহজালাল, নুর ইসলাম, খাইরুল ইসলাম বাবু, রেজাউল হাসান ওরফে বারেক, রফিকুল ইসলাম, মিটুল মিয়া ওরফে পাশা, খায়রুল আলম, আজিজুল হক ও আনিছুর রহমান।

‎পুলিশ জানায়, এই চক্রটি দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় মোটরসাইকেল চুরি করে কম দামে সংগ্রহ করত। পরে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সাধারণ মানুষের কাছে অধিক দামে বিক্রি করত।

‎গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে কয়েকজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও রাজারহাট থানায় মোট ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

‎উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলের মধ্যে ২টির প্রকৃত মালিক শনাক্ত হওয়ায় তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি মোটরসাইকেলগুলো বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে এবং মালিকানা যাচাই চলছে। যাচাই শেষে সেগুলো আইনগত প্রক্রিয়ায় প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

‎পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বির সার্বিক দিকনির্দেশনায় পরিচালিত এই অভিযানে চোরচক্র দমনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন:মাদারীপুরে ফরম ফিলাপের টাকা নিয়েও এডমিট কার্ড পেল না শিক্ষার্থীর, এসএসসি পরীক্ষায় অনিশ্চয়তা

দেখুন:সংকটে ওয়ান ব্যাংক, সমন্বয়ক বসাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক 

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন