বাজারে এখনও নতুন দরের বোতলজাত সয়াবিন তেল আসেনি। ব্যবসায়ীদের কাছে এখন যে মজুত রয়েছে, তা আগের দামে কেনা। কিন্তু সরকার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পরই ব্যবসায়ীরা পুরোনো মজুত করা ভোজ্যতেল নতুন দরে বিক্রি শুরু করেছেন।
ভোক্তাদের অভিযোগ, রোজার পর থেকেই কোম্পানি ও ডিলাররা তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছিল। দাম বাড়ার গুঞ্জন উঠলেই একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী মজুত শুরু করেন। তারা এতদিন দাম বাড়ানোর অপেক্ষায় ছিলেন। নতুন দাম ঘোষণার পর সেই মজুত তেলই এখন বাড়তি দামে ছাড়ছেন।
বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি এবং আমদানিকারকদের দাবির মুখে গত বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম চার টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১৯৫ টাকা। একইভাবে খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৭৬ থেকে চার টাকা বাড়িয়ে ১৮০ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৭৫ টাকা।
তবে বাজারের প্রকৃত চিত্র ভিন্ন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মহাখালী, মিরপুরসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক। তবে বাজারে নতুন দরের বোতল ও খোলা তেল এখনও আসেনি। কিন্তু খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা তাদের কাছে মজুত থাকা তেল নতুন দরে বিক্রি করছেন। কেউ কেউ বোতলের গায়ে থাকা আগের দাম ঘষে তুলে ফেলেছেন।
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পাঁচ লিটারের পুরোনো বোতল কেউ ৯৬০, কেউ ৯৭০ টাকায় বিক্রি করছেন। এক-দুই লিটারের বোতলও নির্ধারিত দরের চেয়ে ১০ টাকার মতো বেশি নিচ্ছে। এ ছাড়া খোলা সয়াবিনের লিটার ১৯২ থেকে ১৯৫ টাকা ও পাম অয়েলের লিটার ১৮৪ থেকে ১৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
গতকাল কারওয়ান বাজার থেকে ৯৭০ টাকায় পাঁচ লিটারের সয়াবিন তেলের বোতল কিনেছেন গৃহিণী সাজেদা বেগম। তিনি সমকালকে বলেন, বোতলের গায়ে লেখা ৯৫৫ টাকা, দোকানদার রাখল ৯৭০ টাকা। আগের তেলই বেশি দামে কেনা লাগল।
পড়ুন:সৌদি পৌঁছেছেন ৪০১৭৭ বাংলাদেশি হজযাত্রী
দেখুন:পুরোনো আইফোন বিক্রির আগে ভুল করলেই বিপদ
ইমি/


