কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের বধূনগর এলাকায় আম পাড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নবাবের বাড়ি ও ফর্সার বাড়ির বংশের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে ২৩ জন ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ চিকিৎসা নিয়েছেন। গুরুতর আহত মিজান (৩৬), শরীফ মিয়া (১৯) ও চান মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. আব্দুল করিম। এছাড়া অন্যান্য আহতরা বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, নবাবের বাড়ি ও ফর্সার বাড়ির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গত ৩ মে বিকেলে ফর্সার বাড়ির আয়তুল মিয়ার আমগাছে ঢিল ছোড়াকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের যুবকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি আপাতত মীমাংসা হলেও এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে।
এরই জেরে মঙ্গলবার সকালে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র—দা, বল্লম, টেঁটা, লাঠিসোটা ও ইট-পাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।
নবাবের বাড়ির তোফাজ্জল হোসেন অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ অতর্কিত হামলা চালালে আত্মরক্ষার্থে তাদের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। অন্যদিকে ফর্সার বাড়ির ফুল মিয়া দাবি করেন, তাদের আমগাছে ঢিল ছোড়া ও যুবকদের মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই সংঘর্ষের সূত্রপাত।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভৈরব থানার ওসি আতাউর রহমান আকন্দ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।


