পুলিশ বাহিনীর সব ইউনিটে আগের মতো আলাদা পোশাক থাকছে না।
আজ মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির নেতারদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশসহ র্যাব ও আনসারের পোশাক বদলাচ্ছে। সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিন বাহিনীর জন্য আলাদা পোশাকের অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনের পর তা কার্যকর হবে। তবে বাহিনী হিসেবে পুলিশের পোশাক বদলালেও ইউনিটে তা বদলাচ্ছে না। যা আছে তা-ও থাকছে না। অর্থাৎ বদলে যাওয়া নতুন পোশাকই পরিধান করবে পুরো বাহিনীর সদস্য। আমরা সবাই একই পোশাক পরব।
মো. সাজ্জাত আলী বলেন, ‘পুলিশের দুই লাখ সদস্য আছে। এ ছাড়া ১৯ হাজার সিভিল স্টাফও আছে। বিভিন্ন ইউনিটে আগে পোশাকের ভিন্নতা ছিল। এটি কার্যকর হওয়ার পর আর বিভিন্ন ইউনিটে পোশাকে কোনো ভিন্নতা থাকবে না।’
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে সামনের দিনগুলোতে আর ঘর থেকে বের হতে পারব না। মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহনসহ বিভিন্ন জায়গায় একই কথা বলছি। রিকশা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আমিই বেশি কথা বলছি। চিঠিও দিয়েছি। কীভাবে লাইসেন্স দিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, ট্যাক্স আদায় করা যায়, সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, সেসব নিয়েও কথা বলছি।’
সাজ্জাত আলী বলেন, ‘এটি সত্য যে, মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত লোকেরাও এটিকে (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা) ইনকামের সোর্স বানিয়েছেন। সব শহরেই টেক্সি আছে। তারা কিন্তু সংখ্যা বাড়ায়নি। বরং এর লাইসেন্স খরচ অনেক বেশি। কিন্তু আমাদের ব্যাটারিচালিত রিকশা বাড়ছে। এটি নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সড়ক, শহরের অবস্থা ক্যাপাসিটি অনুযায়ী এর নিয়ন্ত্রণমূলক অনুমোদন দিতে পারি। আমরা ১০০ বা ২০০ টাকার বিনিময়ে প্রাথমিকভাবে লাইসেন্স ফি নির্ধারণের কথা বলেছি। এটি থাকলে বোঝা যাবে কোনটা বৈধ আর কোনটা বৈধ নয়। কোনটা ঢাকার আর কোনটা ঢাকা শহরের বাইরে থেকে এসে ঢুকে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘লাইসেন্সের আওতায় আনতে না পারলে কিন্তু কোনোভাবেই ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না। আমাদের সেই জায়গায় যেতে হবে। কোনো দেশে এটি সম্ভব নয় যে, আপনি রাস্তা ব্যবহার করবেন কিন্তু ট্যাক্স দেবেন না।’
এনএ/


